রাজকুমার–পত্রলেখার ঘরে আসছে নতুন অতিথি

আপডেট : ১০ জুলাই ২০২৫, ১৪:১৫

পর্দার জীবন এবং ব্যক্তিগত জীবন- দুদিকেই সুবাতাস বইছে বলিউড তারকা রাজকুমার রাওয়ের। একদিকে মুক্তি পেতে চলেছে তার ছবি ‘মালিক’। এর মধ্যে সংসারজীবনের সুখবর সবার সঙ্গে ভাগ করে নিলেন তিনি।

রাজকুমার আর তার স্ত্রী পত্রলেখা এক পোস্টের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে তারা বাবা-মা হতে যাচ্ছেন। এর পর থেকেই নেট–দুনিয়ায় চলছে অভিনন্দনের জোয়ার।

রাজকুমার রাও আর পত্রলেখা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে বাচ্চার দোলনার একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, ‘বেবি অন দ্যা ওয়ে’। এর সঙ্গে রাজকুমার ছোট এবং ভালোবাসাভরা এক ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘দারুণ আনন্দিত’।

রাজকুমার আর পত্রলেখার এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ভক্তরা এবং বিটাউনের তারকারা শুভকামনা ও ভালোবাসা জানাচ্ছেন। অভিনেতা বরুণ ধাওয়ান লিখেছেন, ‘অভিনন্দন।’ অভিনেত্রী সোনম কাপুর কমেন্টে লিখেছেন, ‘তোমাদের দুজনের জন্য খুব আনন্দের খবর।’ পুলকিত সম্রাট লিখেছেন, ‘অভিনন্দন বন্ধুরা।’ নেহা ধুপিয়া লিখেছেন, ‘আপনাদের দুজনকে অভিনন্দন।’ কোরিওগ্রাফার ও পরিচালক ফারহা খান এই তারকা দম্পতির উদ্দেশে লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত সবাইকে জানালে। আমার জন্য এই গোপন কথা আড়াল করে রাখা খুব মুশকিল হচ্ছিল। অভিনন্দন।’

এ বছরের শুরুর দিকে রাজকুমার ও পত্রলেখা একটি পোস্ট করেছিলেন। পোস্টে তারা লিখেছিলেন, ‘আমাদের জীবনে বিশেষ কিছু ঘটতে যাচ্ছে। আপনাদের সবার সঙ্গে তা ভাগ করে নেওয়ার জন্য আর অপেক্ষা করতে পারছি না। আমাদের সঙ্গে থাকুন।’

রাজকুমার আর পত্রলেখার এই পোস্টের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জল্পনাকল্পনা ছিল তুঙ্গে। সবাই ধারণা করেছিলেন, তারা প্রথম সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখাতে যাচ্ছেন। কিন্তু রাজকুমার সঙ্গে সঙ্গে জানিয়ে দিয়েছিলেন যে এমন কিছু নয়। তিনি পোস্টের নিচে উল্লেখ করে লিখেছিলেন, ‘আমরা এখন বাবা-মা হচ্ছি না।’

২০১০ সালে রাজকুমার রাও এবং পত্রলেখার প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল। ১১ বছর তাদের প্রেমের গাড়ি চলেছিল। এরপর এই যুগল ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর সাত পাকে বাঁধা পড়েছিলেন।

আগামীকাল শুক্রবার মুক্তি পাবে রাজকুমার রাও অভিনীত ছবি ‘মালিক’। এই ছবিতে তার স্ত্রীর ভূমিকায় দেখা যাবে অভিনেত্রী মানুষি ছিল্লারকে। রাজকুমার ‘মালিক’ ছবিতে অ্যাকশন নায়ক হিসেবে ধরা দিতে যাচ্ছেন। এই প্রথম তাকে এমন অবতারে দেখা যাবে। ‘মালিক’ ছবির অন্যতম মূল চরিত্রে আছেন পশ্চিম বাংলার অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।

ইত্তেফাক/এটিএন