ভারতে বিমান বিধ্বস্তের পর ‘অসুস্থতার কারণে’ ছুটি নিয়েছিলেন শতাধিক পাইলট

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২৫, ১৬:৫৬

গত ১২ জুন ভারতের আহমেদাবাদের লোকালয়ে ভেঙে পড়ে বোয়িং ৭৮৭-ড্রিমলাইনার। এর চার দিন পরে, অর্থাৎ ১৬ জুন 'অসুস্থতার' কারণ দেখিয়ে ছুটির আবেদন করেছিলেন সংস্থাটির ১১২ জন পাইলট।

বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) ভারতের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ লোকসভার অধিবেশনে এক প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় বেসামরিক বিমান চলাচল বিষয়ক মন্ত্রী মুরলীধর মোহল।

তিনি জানান, ওইদিনের ঘটনার পর ৫১ জন কমান্ডার (সিনিয়র পাইলট) ও ৬১ জন ফ্লাইট অফিসার (জুনিয়র পাইলট) ছুটির জন্য আবেদন করেন। দুর্ঘটনার পর মানসিকভাবে বিধ্বস্ত হয়ে পড়ার কারণেই তারা এমন ছুটির আবেদন করেন করে বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন।

অধিবেশনে প্রশ্নের উত্তরে মুরলীধর মোহল আরও জানান, ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে সব এয়ারলাইন্সকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো, যেন মেডিকেল পরীক্ষার সময় মানসিক স্বাস্থ্যের মূল্যায়নের জন্য দ্রুত ও কার্যকর পদ্ধতি চালু করা হয়। পাইলট ও বিমান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তাদের (এটিসিও) মানসিক চাপ সামাল দিতে ‘স্বতন্ত্র ও কাস্টমাইজড প্রশিক্ষণ মডিউল’ চালু করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো। সেই সঙ্গে সহকর্মীদের মানসিক সমস্যা চিহ্নিত ও মোকাবিলায় সহায়তায় ‘সহকর্মী সহায়তা গোষ্ঠী’ নামে সাপোর্ট গ্রুপ গঠনের পরামর্শ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি বেশ নিরাপদ হিসেবে বিবেচিত ছিল। ২০১১ সাল থেকে যাত্রা শুরুর পর এ যাবৎ এই বিমানটি এর আগে কোথাও দুর্ঘটনার কবলে পড়েনি। তবে গত ১২ জুন মেঘানিনগরের বিজে মেডিকেল কলেজের ক্যান্টিনের ওপর ভেঙে পড়ে ড্রিমলাইনার সিরিজের এআই ১৭১ বিমানটি। এতে নিহত হন ওই বিমানের প্রায় সব যাত্রীসহ ২৭৪ জন।

ইত্তেফাক/এসকে