কুমিল্লায় ধানের নেক ব্লাস্ট রোগ দমনের প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়েছে। উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের বিজ্ঞানীরা ব্লাস্ট রোগের সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কুমিল্লার বেশ কয়েকটি এলাকায় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ করে সফল হয়েছেন। ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট কুমিল্লার উদ্যোগে জেলার বুড়িচং উপজেলার মহিষমারা এলাকায় কৃষক ফারুক হোসেনের জমিতে একটি প্রদর্শনী স্থাপন করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গতকাল মঙ্গলবার মাঠ দিবসের আয়োজন করে আনুষ্ঠানিকভাবে নমুনা শস্য কর্তন করা হয়।
ব্রি-কুমিল্লার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মামুনুর রশিদসহ অতিথিরা জানান, ধানের ব্লাস্ট একটি ছত্রাকজনিত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ। আমন ধানে সকল সুগন্ধিজাত ও বোরো মৌসুমে সংবেদনশীল জাতে ব্লাস্ট রোগ হয়ে থাকে। এ রোগটি পাতা ব্লাস্ট, গিঁট ব্লাস্ট ও নেক (শীষ) ব্লাস্ট নামে পরিচিত। বাংলাদেশে অনেক দিন ধরে বিজ্ঞানীরা ধানের ব্লাস্ট রোগ দমনের উপর কাজ করে এ রোগের একটি সমন্বিত দমন ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন। এই প্রযুক্তি ব্যবহারে নেক ব্লাস্টের আক্রমণ হতে শতভাগ পর্যন্ত ধানের ফলন রক্ষা করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ব্রি-গাজীপুরের উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগের প্রধান ড. মো. আব্দুল লতিফ, ড. মুহাম্মদ আশিক ইকবাল খান, ব্রি-কুমিল্লার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মামুনুর রশিদ, ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয় কুমিল্লার প্রধান ড. মো. আবদুল মোতালেব, এসও ফারুক হোসেন খান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক দীলিপ কুমার অধিকারী, অতিরিক্ত পরিচালক আইউব মাহমুদ, বুড়িচং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাহিদুজ্জামান প্রমুখ।
