ফাহিমের ওপরে সুজনের ক্ষোভ

আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০২৫, ১৪:৪৪

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির সাবেক পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন নাজমুল হোসেন শান্তকে অধিনায়ক থেকে সরানোর প্রক্রিয়া নিয়ে। তার মতে, বিষয়টি পেশাদারিত্বের ঘাটতি ছিল, আর এতে বিসিবির সিদ্ধান্তকেই তিনি দেখঘারোপ করেছেন। 

সম্প্রতি একাধিক সাক্ষাৎকারে সুজন বলেছেন, 'শান্তকে যেভাবে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, যেটি পেশাগতভাবে করা হয়নি। আমি বলবো, বিসিবি খুবই বাজে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বিসিবি ১০০তে ০ পাবে।'

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির সাবেক পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজন।

শান্তর অনুভূতির জায়গাটিও তুলে ধরেন সুজন। তার ভাষায়, সফরের আগে (শ্রীলঙ্কায় যাওয়ার আগে) একজন অধিনায়ককে বলা হয়েছে সে আর অধিনায়ক না। এটা ঠিক না। টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছে সম্ভবত এই কারণেই। কষ্ট তো সে নিশ্চয়ই পেয়েছে। শান্ত অধিনায়কত্ব করলেই কী, আর না করলেই কী। নেতৃত্ব তো একটা সম্মানের জায়গা। সেই সম্মান তো সে পায়নি, যথেষ্ট অসম্মান করা হয়েছে।' 

এর আগে একই প্রসঙ্গে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালও বলেছিলেন, শান্তকে অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর প্রক্রিয়াটি ছিল অসম্মানজনক এবং যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হয়নি তাকে।

নাজমুল হোসেন শান্ত।

এই প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন ক্রিকেট অপারেশনস চেয়ারম্যান নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তার ওপরও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুজন। ফাহিম আগেই জানিয়েছিলেন, বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শান্তকে সবকিছু জানিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়েছে। তবে সুজন এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেছেন, 'সফরে যাওয়ার এক দিন আগে কেন দুই অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলতে হবে? আমি মনে করি, অপারেশনস চেয়ারম্যান হিসেবে এখানেই উনি ব্যর্থ। উনার উচিত ছিল বোর্ডের সঙ্গে কথা বলা যে সফরের আগে অধিনায়ক পরিবর্তন না হোক। সফর শেষে সময় নিয়ে শান্তর সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল।'

সুজন আরও বলেছেন, 'যাকে উনি সম্মান করলেন না, সে উনাকে কীভাবে সম্মান করবে। বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মানে অনেক বড় একটি পদ। এখানে কেউ যদি অসম্মানিত হন, সেখান থেকে যে কোনো কিছু হতে পারে।' 

ইত্তেফাক/জেডএইচ