সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ ঘটনায় অন্তত ২০জন আহত হয়েছে। এ সময়ে ৩টি মোটরসাইকেলে আগুন দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার রাতে যুবলীগ কর্মী রাসেল ওরফে ইয়াবা রাসেল এবং নাজিমউদ্দিন নাজু গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পরে অন্য দিনের মতো সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়ার কার্যালয়ে আসে নূর হোসেনের এককালের সহযোগী নাজিম উদ্দিন নাজু এবং রাসেল গ্রুপ। এ সময় রাসেল হঠাৎ করে নাজিম উদ্দিন নাজুকে ধাক্কা দেয়। এক পর্যায়ে নাজিম উদ্দিন নাজুও তাকে ধাক্কা দেয়। পরবর্তীতে উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা বাড়লে তাদের সমর্থকরা জড়ো হয়। উভয় গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ লেগে যায়।
এক পর্যায়ে নাজিম উদ্দিন নাজু গ্রুপ রাসেল গ্রুপের দুইটি এবং ওই কার্যালয়ের সামনে থাকা মোটরসাইকেল (যার নং- ঢাকা মেট্টো-ল-২৬-০২৯৯, ঢাকা মেট্টো-ল ৩৪-৬১৮৭, ঢাকা মেট্টো-ল ২৩-২৮০৬) জ্বালিয়ে দেয়। একই সময় নাজু গ্রুপ সিদ্ধিরগঞ্জের চৌধুরীপাড়াস্থ রাসেলের কার্যালয় ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভায়।
রাসেল নিজেকে সিদ্ধিরগঞ্জের নাসিক ২নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে আসছিল। তবে এ ওয়ার্ডে কোনো কমিটি এখনও হয়নি। ইতিপূর্বে সে বেশ কয়েকবার পুলিশ ও ডিবি পুলিশের হাতে অস্ত্র এবং মাদকসহ গ্রেফতার হয় বলে জানায় দলীয় কর্মীরা।
আরও পড়ুনঃ পত্নীতলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে নিহত
নাজিম উদ্দিন নাজু ইতিপূর্বে নুর হোসেনের অন্যতম সহযোগী ছিল। তিনি এক বছর পূর্বে সিদ্ধিরগঞ্জপুলস্থ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের একটি অনুষ্ঠানে ও ২৪ নভেম্বর সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন মিয়ার কার্যালয়ের সামনে আরেকটি অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
ইত্তেফাক/নূহু
