উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছেলেধরা আতঙ্কে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের উপস্থিতি কমেছে। যে সব শিক্ষার্থীরা উপস্থিত হচ্ছে তাদের সঙ্গে অভিভাবকদের স্কুলে বসে থাকতে হয়। অভিভাবকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, প্রতিদিন তাদের শিশুদের সঙ্গে করে নিয়ে আসেন। যে সব অভিভাবক সঙ্গে আসতে পারেন না তারা শিশুদের বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ রেখেছেন।
কিসমত ফুলতলা গ্রামের মাজেদুল ইসলাম, ভান্ডারকোট গ্রামের জাহীদুল ইসলাম, আমীরপুরের সোনালী পালসহ অনেকেই জানান, ছেলেধরা আতঙ্কে শিশুরা ভীত হয়ে পড়েছে।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার হাবিবুর রহমান বলেন, একটা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় অসচেতন অভিভাবকরা অনেকটা ভীত হয়ে পড়েছে।
