পাকিস্তানের রাজনীতিতে নতুন মোড় এসেছে। তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গহর আলী খান তার দলীয় প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের নির্দেশে জাতীয় পরিষদের চারটি স্থায়ী কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।
জিও নিউজের বৃহস্পতিবারের (২৮ আগস্ট) প্রতিবেদন অনুসারে, গহর আইন ও বিচার, মানবাধিকার, তথ্যপ্রযুক্তি এবং হাউস বিজনেস অ্যাডভাইজরি কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই পদক্ষেপের ফলে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৮ জন পিটিআই সাংসদ জাতীয় পরিষদের বিভিন্ন কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন। এই পদত্যাগগুলোকে পিটিআইয়ের চলমান রাজনৈতিক কৌশলের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। দলটি আসন্ন উপনির্বাচনও বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে।
২০২৩ সালের ৯ মের দাঙ্গার ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গত জুলাই-আগস্টে পিটিআইয়ের অনেক নেতাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছিল। এরপর থেকেই দলের সাংসদরা সংসদীয় কমিটি ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেন। গহরের পাশাপাশি ফয়সাল আমিন গান্ডাপুর (খাইবার পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী আলী আমিন গান্ডাপুরের ভাই), শাহরেয়ার আফ্রিদি, জুনায়েদ আখতার খান, শেখ ওয়াকাস আকরাম এবং আমির দোগারসহ আরও অনেক সাংসদ বিভিন্ন কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।
এর আগে সাংসদ আলী আসগর, সাজিদ খান, শহিদ খাট্টাক, ফয়সাল এবং আসিফ খানও একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন। জুনায়েদ আখতার খান জন-হিসাব কমিটির চেয়ারম্যান পদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন। তিনি দলের চিফ হুইপ আমির দোগারের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দেন।
পিটিআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৯ মে-র মামলায় অযোগ্য ঘোষিত তাদের সাংসদদেরই তারা 'প্রকৃত প্রতিনিধি' হিসেবে দাবি করবে এবং সেই আসনগুলোতে আসন্ন উপনির্বাচন বর্জন করবে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন জোট পাকিস্তান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) এবং পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) ঘোষণা করেছে যে, তারা দেশজুড়ে যৌথভাবে উপনির্বাচনে অংশ নেবে।
