অস্ট্রেলিয়ার ডারউইনে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বোলারদের সামনে দাঁড়াতেই পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। শেষ দিকে এনামুল হক ও রাকিবুল হাসানের ৪৮ রানের জুটিতে কোনো রকমে তিন অঙ্কের ঘর পার করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১১৪ রানে গুটিয়ে গেছে বাংলাদেশ। শুরু থেকেই ধস নামে বাংলাদেশ ‘এ’-এর টপ অর্ডার। রানের খাতা খুলতেই পারেননি ওপেনার ইফতেখার হোসেন ইফতি। এছাড়া জাতীয় দলের নিয়মিত ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় মাত্র ১৩ রানে সাজঘরে ফিরে যান।
এরপরও নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। অমিত হাসান করেছেন ৩, অধিনায়ক মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ৯, ইয়াসির আলী রাব্বি ফিরেছেন ১ রানে।
চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের পর শাহাদাত হোসেন দিপু কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। ৪৩ বলে ২৫ রান করে আউট হন তিনি। দলীয় ৬৬ রানে ৯ উইকেট হারিয়ে একশ'র আগেই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়।
তবে রাকিবুল ও এনামুল প্রতিরোধ গড়েন। শেষ উইকেটে দুজন গড়েন ৪৮ রানের মূল্যবান জুটি। তাদের এই জুটিতে ভর করে একশো পেরোয় বাংলাদেশ। রাকিবুল করেন ২২ রান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ২৭ রানে অপরাজিত থাকেন এনামুল হক।
ব্যাটিংয়ে বাজে দিন কাটানোর পর বোলিংয়ে শুরুটা ছিল খানিকটা আশাব্যঞ্জক। ৫০ রানের আগেই দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার চার ব্যাটারকে ফিরিয়ে দিয়ে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দেয় বাংলাদেশ ‘এ’।
কিন্তু এরপরই বদলে যায় দৃশ্যপট। জেইক ফ্রেজার ম্যাকগার্ক ও জেসন সাঙ্ঘা গড়েন ৯৬ রানের জুটি। ম্যাকগার্ক ৫ চার ও ২ ছক্কায় আউট হন ৫২ রান করে। সাঙ্ঘা এরপর হ্যারি নিয়েলসেনকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৬১ রান যোগ করেন, যা ছিল দিনের শেষ পর্যন্ত অবিচ্ছিন্ন।
দিন শেষে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ দাঁড়ায় পাঁচ উইকেটে ২০৪ রান, অর্থাৎ ৯০ রানের লিড। বাংলাদেশের হয়ে মুশফিক হাসান, হাসান মাহমুদ, নাঈম হাসান, হাসান মুরাদ ও এনামুল নিয়েছেন একটি করে উইকেট।
