কাকে সবচেয়ে বেশি ভয়?
প্রথম মশা :বল তো, আমাদের মন্ত্রী সাহেব কাকে সবচেয়ে বেশি ভয় পান?
দ্বিতীয় মশা :কাকে আবার, নিশ্চয়ই বউকে।
প্রথম মশা :হলো না।
দ্বিতীয় মশা :তবে কাকে?
প্রথম মশা :আমাদের।
দ্বিতীয় মশা :কেমন করে বুঝলি?
প্রথম মশা :বউয়ের ভয়ে বাসা ছাড়তে শুনেছিস উনাকে? অথচ আমাদের ভয়ে অফিস বদল করে ফেলেছে।
হিসাব
প্রেমিকা :বিসিএস ক্যাডার হতে না পারলে কিন্তু আমার ফ্যামিলি তোমাকে মেনে নেবে না।
প্রেমিক :বিসিএস ক্যাডার হতে পারলে যে আমার ফ্যামিলি তোমাকে মেনে নেবে না।
মাস্তানের ওপর মাস্তানি
প্রথম মাস্তান :কীরে, একটু পর পর চমকে উঠে এদিক ওদিক তাকাচ্ছিস কেন?
দ্বিতীয় মাস্তান :ভয়ে।
প্রথম মাস্তান :এ পাড়ার সেরা মাস্তান কাঁপছে ভয়ে! এটাও বিশ্বাস করতে হবে? তা কারা সেই মাস্তান, আমি সামনে থাকার পরেও যাদের ভয়ে এমন কাঁপছিস?
দ্বিতীয় মাস্তান :ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া।
রক্তের গ্রুপ
প্রথম বন্ধু :বল তো, কারা ক্রস ম্যাচ ছাড়াই সব গ্রুপের রক্ত নিতে পারে?
দ্বিতীয় বন্ধু :ধুর, এমন হতেই পারে না।
প্রথম বন্ধু :কে বলল পারে না? তুই মশাকে কখনো রক্তের গ্রুপ বাছাই করতে দেখেছিস?
টেলিফোন ট্রিটমেন্ট
রোগী :হ্যালো ডাক্তার সাহেব, হেঁটে আসার মতো অবস্থায় নেই বলে ফোনে ট্রিটমেন্ট চাইছি।
ডাক্তার সাহেব :না, না ঠিক আছে, বলুন কী সমস্যা? সুস্থ হয়ে ওঠার পর দেখা করে যেয়েন।
রোগী :জ্বর, মাথাব্যথা, মাংসপেশীতে ব্যথা, হাড়ের জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, শরীর ভীষণ দুর্বল, বিছানা ছেড়ে উঠতে পারছি না। কী করব ডাক্তার সাহেব?
ডাক্তার সাহেব :আপনার তো মনে হচ্ছে ডেঙ্গু হয়েছে। ক’দিন যাবত এ অবস্থা?
রোগী :বাসে পকেট মারতে গিয়ে গণধোলাই খাবার পর আজ তিন দিন হলো।
ডাক্তার সাহেব :কী?!
রোগী :ফিস নিয়ে একদম ভাববেন না ডাক্তার সাহেব। সুস্থ হয়েই চেম্বারে এসে দিয়ে যাব।
ডাক্তার সাহেব :ট্রিটমেন্ট বলে দিচ্ছি, কিন্তু খবরদার চেম্বারে আসার কোনো দরকার নেই।
আমার মামা সব জানে
ভাগ্নে :২০২২ সালের মধ্যে নাকি বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে হবে, কিন্তু এটা কী করে সম্ভব?
মামা :অসম্ভবের কী আছে? এইজন্য ২০২২ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়?
ভাগ্নে :তুমি কী বিদেশ থেকে বাঘ কিনে আনার প্রস্তাব দিচ্ছ?
মামা :ধুর পাগলা, আমাদের দেশে কী বিড়ালের অভাব? কিছু বিড়াল সুন্দরবনে পাঠিয়ে দিলেই তো হয়।
ভাগ্নে :তাতে কী হবে?
মামা :যেহেতু বিড়ালের পঁচানব্বই শতাংশ বাঘের ডিএনএ আছে, তাই একে বাঘই বলা যায়। শুধু আকার আয়তনে একটু ছোট, এই যা। সুন্দরবনে খোলা জায়গায় আলো বাতাস খেতে পারলে স্বাস্থ্য ফিরতে কয়দিন?
এত বাঘ দিয়া করুমটা কী?
প্রথম বন্ধু :শুনছিস, ২০২২ সালের মধ্যে নাকি বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে হবে? কিন্তু এত বাঘ দিয়া আমরা করুমটা কী?
দ্বিতীয় বন্ধু :ক্যান, ক্রিকেট খেলতে পাঠাইয়া দিমু। জাতীয় দল, ‘এ’ দল, বয়স ভিত্তিক দল—কত বাঘ লাগব, আন্দাজ আছে?
মন খারাপের কারণ
পথিক :কী হয়েছে খোকা, মন খারাপ কেন?
ছোট ছেলে :বন্যায় সবার কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হলো, দেখছেন না?
পথিক :একদম মন খারাপ করো না। বন্যায় যাদের ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে, সরকার তাদের সবাইকে সাহায্য দিচ্ছে। তোমাদেরও নিশ্চয়ই দেবে।
ছোট ছেলে :সেজন্যই তো মন খারাপ।
পথিক :কেন?
ছোট ছেলে :আমাদের মহল্লায় যে এখনো বন্যার পানি ঢোকেনি...
গার্জিয়ানদের ফার্স্ট চয়েজ
প্রথম বান্ধবী :রেজাল্ট খারাপ করলে গার্জিয়ানদের ফার্স্ট চয়েজ কী বল তো?
দ্বিতীয় বান্ধবী :রিকশাওয়ালা।
পিঁয়াজের মূল্য
ছেলেটি :তোমাকে আমার খুব ভালো লাগে।
মেয়েটি :কী বললে? আয়নায় একবার নিজের চেহারা দেখেছ? আনস্মার্ট, ক্ষ্যাত। কিভাবে প্রপোজ করতে হয়, তাও জানো না। তুমি জানো, কত গাড়ি-বাড়িওয়ালার ছেলে আমার চারপাশে ঘুরঘুর করে। তোমার বাবার কী আছে শুনি?
ছেলেটি :কাওরান বাজারে পিঁয়াজের আড়ত।
মেয়েটি :ইয়ে মানে শোনো, এই কথাটা আগে বলবে না?
পিঁয়াজের ঝাঁজ
প্রেমিকা :আমি কিচ্ছু শুনতে চাই না, আগামীকাল বাসায় বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসবে তুমি।
প্রেমিক :কী বলো এসব? শুনেই তো বুক কাঁপছে। কী নিয়ে তাদের সামনে দাঁড়াব শুনি?
প্রেমিকা :কেন? এক কেজি পিঁয়াজ। পিঁয়াজের ঝাঁজে বাসার পরিবেশটাই পাল্টে যাবে।
অন্যের জিনিসের দিকেই সবার চোখ
প্রথম দোস্ত :কেউ মদ বিক্রি করে দুধ কেনে, আবার কেউ দুধ বিক্রি করে মদ কেনে। কত রঙের মানুষ যে আছে, এ দুনিয়ায়। কিছু বুঝলি?
দ্বিতীয় দোস্ত :হুম বুঝলাম। তুই আসলেই ঠিক বলছিস, কেউই তার নিজের সম্পদ নিয়ে সন্তুষ্ট না। সব সময় অন্যের জিনিসের দিকে চোখ।
বি পজিটিভ
সাংবাদিক :প্রতি বছর বাড়ছে ৫ লাখ শিক্ষিত বেকার। এটা কীসের লক্ষণ?
নেতা :কেন, দেশে শিক্ষিতের হার বাড়ার লক্ষণ।
যা করার ওরাই করবে
প্রথম বন্ধু :আসছে ২৯ জুলাই তো বাঘ দিবস, চল এ উপলক্ষে সুন্দরবন যাই।
দ্বিতীয় বন্ধু :ওখানে গিয়ে কী করব?
প্রথম বন্ধু :ওখানে গিয়ে আমাদের কিছু করতে হবে কেন, বাঘ দিবস না!
দ্বিতীয় বন্ধু :এটা অবশ্য ঠিকই বলেছিস। যা করার ওরাই করবে।
