ভূঞাপুর ও গোপালপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত টাঙ্গাইল-২ আসন। এ আসনে বিএনপির প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে ১০ বছরে মামলার সংখ্যা বেড়েছে বহুগুণ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির প্রার্থী কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে বিগত ১০ বছরে ১৩৯টি মামলা হয়েছে বলে তার হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে। এরমধ্যে বর্তমানে ৬১টি মামলা তদন্তনাধীন এবং ৭৮টি মামলা বিচারাধীন। এছাড়া ৪টি মামলায় অব্যাহতি ও ২৯টি মামলা স্থগিত করা হয়েছে। বিগত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে মামলা ছিল ৩টি। ফলে ১০ বছরে মামলা বেড়েছে ১৩৬টি। এ ছাড়া বিগত ১৯৯৬-৯৯ সালে দায়েরকৃত মামলাগুলোতে খালাস পেয়েছেন তিনি।
শুধু তাই নয়, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হলফনামায় ৩.৫ কাঠা অকৃষি জমি এবং ১৪৪ বর্গফুট দোকান আছে বলে উল্লেখ করলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে হলফনামায় তার কোনো জমি বা দোকান নেই বলে উল্লেখ করেছেন। সে সময় তার কাছে নগদ টাকা না থাকলেও বর্তমানে টুকুর কাছে নগদ ২ লাখ টাকা আছে বলে হলফনামায় উল্লেখ করেছেন।
অন্যদিকে ১০ বছরে তার স্ত্রীর স্বর্ণের পরিমাণ বেড়েছে। গত ১০ বছরে ৪০ ভরি স্বর্ণ বেড়েছে। যা ২০০৮ সালে হলফনামায় বিবাহে উপহার হিসেবে স্বর্ণের পরিমাণ উল্লেখ করা হয় ৪০ ভরি।
কেন্দ্রীয় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নাশকতা মামলায় দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি রয়েছেন। তাই তিনি তার নির্বাচনী এলাকায় যেতে পারছেন না। এছাড়া এই আসনে তার ভাই জেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ শামছুল আলম তোফাকেও দলের মনোনয়নের চিঠি দেয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
