বাজে হারের পরও বাংলাদেশ দল নিয়ে আশাবাদী ক্রীড়া উপদেষ্টা 

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৪:১০

জয় দিয়ে এশিয়া কাপ শুরু করেছিল বাংলাদেশ। তবে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই হোঁচট খেয়েছে টাইগাররা। ব্যাটিং ব্যর্থতায় শ্রীলঙ্কার কাছে ৬ উইকেটে হেরেছে লিটন দাসের দল। এমন হারের পর তাই বাংলাদেশ দলকে ঘিরে হচ্ছে ব্যাপক সমালোচনা। তবে এখনও টাইগারদের নিয়ে বেশ আশাবাদী যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। 

শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্যালারিতে বসে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচটি দেখেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা। ম্যাচ শেষে মাঠ ছাড়ার সময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। 

বাংলাদেশ দলকে নিয়ে এখনও বেশ আশাবাদী আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘হতাশার কিছু নেই। আমি মনে করি আশাবাদী থাকা উচিত। আমাদের আরও একটি ম্যাচ বাকি আছে। যদিও আজকের খেলা আরও ভালো হতে পারতো। আমাদের দলের শুরু থেকেই ধারাবাহিকতা নিয়ে একটা সমস্যা আছে। আশা করি পরের ম্যাচে আমাদের ছেলেরা ভালো খেলবে।’  

এ দিন ম্যাচের আগে বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে দেখা করেছিলেন উপদেষ্টা। সেখানে কী কথা হয়েছিল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খেলার আগে তো বেশি কথা বলার সুযোগ নেই। দলকে শুধু বেস্ট অব লাক জানিয়েছি আর তাদের কথা শুনেছি।’  

বাংলাদেশের ব্যাটিং বিপর্যয়ের সূচনা হয়েছিল পাওয়ার প্লেতেই। প্রথম ছয় ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩০ রান তুলেছিল টাইগাররা। এই পর্যায়ে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে তারা। এ ব্যাপারে উপদেষ্টা বলেন ‘আমাদের পাওয়ার প্লেতে খারাপ হয়েছে। পাওয়ার প্লেতে যদি আমরা ভালো একটা পুশ দিতে পারতাম। তাহলে পুরো ম্যাচটাই প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করা যেত।’   

শ্রীলঙ্কার কাছে ৬ উইকেটের ব্যবধানে হারের ফলে সুপার ফোরে যাওয়ার পথ কঠিন হয়ে গেছে বাংলাদেশের। এখন শুধু আফগানিস্তানকে হারালেই হবে না, তাকিয়ে থাকতে হবে গ্রুপের অন্য ম্যাচগুলোর দিকেও। এ প্রসঙ্গে ক্রীড়া উপদেষ্টা বলেন, ‘এটা পুরোপুরি আমাদের পারফরম্যান্সের ওপর ডিপেন্ড করছে। পরের ম্যাচ দেখলেই বোঝা যাবে।’   

May be an image of ‎5 people, table, dais and ‎text that says

আগামী মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। সুপার ফোরের আশা বাঁচিয়ে রাখতে সেই ম্যাচে জয়ের বিকল্প নেই লিটন দাসের দলের সামনে। হারলেই গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেবে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।      

ইত্তেফাক/জেডএইচ/এনজি