বিজিএমইএ আয়োজিত গতকাল শনিবার দুপুরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানায় চাকরিকালীন মৃত শ্রমিক-কর্মচারীদের ওয়ারিশদের গ্রুপ বিমা দাবির চেক ও অসুস্থ শ্রমিকের চিকিত্সা সহায়তার চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ১৬টি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠানের ২৯ জন মৃত শ্রমিক-কর্মচারীদের ওয়ারিশদের মাঝে গ্রুপ বিমা দাবির চেক ও দুই জন অসুস্থ শ্রমিককে চিকিত্সা সহায়তা চেক প্রদান করা হয়।
এ উপলক্ষ্যে বিজিএমইএর আঞ্চলিক কার্যালয় সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম বলেন, শ্রমিক মালিক সুসম্পর্কের ওপরেই যে কোনো শিল্পের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত। উত্পাদন প্রক্রিয়ায় এই দুটি পক্ষের সমন্বিত প্রয়াস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রমঘন এই শিল্পে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। ২০২১ সালে স্বাধীনতার ৫০ বত্সর পূর্তিতে আমাদের লক্ষ্য হবে ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন। ২০৩০ সালে মধ্যম আয়ের দেশ ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করার যে স্বপ্ন তা বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। ঘনবসতির দেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে শিল্পায়নের বিকল্প নাই। এখন পর্যন্ত তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য তথা অর্থনীতির অন্যতম নিয়ামক। বিজিএমইএর প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালামের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন বিজিএমইএর সহ-সভাপতি এ এম চৌধুরী সেলিম, পরিচালক অঞ্জন শেখর দাশ, মোহাম্মদ আতিক, খন্দকার বেলায়েত হোসেন, এনামুল আজিজ চৌধুরী, মিরাজ-ই-মোস্তফা কায়ছার, প্রাক্তন প্রথম সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ, এস এম আবু তৈয়ব, প্রাক্তন সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ফেরদৌস, প্রাক্তন পরিচালক এ কে এম. সালেহ উদ্দিন, আবদুল মান্নান রানা, এমডি. এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, হাসানুজ্জামন চৌধুরী প্রমুখ।
