কাশ্মিরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জয়শ-ই-মোহাম্মদের

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৯, ০০:০৮

ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জঙ্গি সংগঠন জয়শ-ই-মোহাম্মদের এক কমান্ডার নিহত হয়েছেন। শনিবার শোপিয়ানের বোনা বাজারে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। নিহত জঙ্গির নাম মুন্না লাহোরি। দক্ষিণ কাশ্মির এলাকার ওই জঙ্গি নেতা সেনাবাহিনীর উপরে দু’টি গাড়ি বোমা হামলার সঙ্গে জড়িত। এছাড়াও বহু সাধারণ নাগরিকের হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। এদিকে কাশ্মিরে অতিরিক্ত দশ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। খবর এনডিটিভির

জম্মু ও কাশ্মিরের পুলিশ প্রধান দিলবাগ সিংহ জানিয়েছেন, ৩০ মার্চ বানিহালে হওয়া সেনা কনভয়ের উপরে গাড়িবোমা বিস্ফোরণেও যুক্ত ছিলেন ঐ জঙ্গি নেতা। এছাড়া গত মাসে আরিহাল পুলওয়ামায় সেনার গাড়িতে গাড়ি বোমা হামলাতেও যুক্ত ছিলেন তিনি। এক পুলিশ কর্মকর্তা জানান, পুলিশ নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দক্ষিণ কাশ্মির জেলার বোনা বাজারে জঙ্গির সন্ধানে তল্লাশি চালায়। এরপরই জঙ্গিরা ওই তল্লাশি বাহিনীর উপরে গুলি চালাতে থাকে। শুরু হয় বন্দুকযুদ্ধ। লোকসভায় একটি আলোচনার সময় স্বরাষ্ট্র উপমন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি সম্প্রতি জানান, নিরাপত্তা বাহিনী জঙ্গিদের বিষয়ে অতি সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সন্ত্রাসবাদ বিষয়ে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কারণেই এই অতি সক্রিয়তা। একটি লিখিত প্রশ্নের জবাবে রেড্ডি জানান, সুপরিকল্পিত অভিযানে কাশ্মিরে ২০১৪ সাল থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত ৯৬৩ জন জঙ্গিকে মারা সম্ভব হয়েছে। তবে এই অভিযানের ফলে ৪১৩ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যকেও প্রাণ হারাতে হয়েছে।

১০ হাজার সেনা মোতায়েন

কাশ্মিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো কঠোর করা হয়েছে। সারা দেশ থেকে অতিরিক্ত ১০ হাজার সেনা-জওয়ানকে মোতায়েন করা হয়েছে কাশ্মিরে। সম্প্রতি ২ দিনের কাশ্মির সফরে যান জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। সেই সফর থেকে ফেরার পরই কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত। এত বিশাল সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন এর আগে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময় দেখেছিল উপত্যকা।