লাভের অংশ ভোগ করছে মধ্যস্বত্বভোগীরা

ইলিশের দাম বাড়লেও বদলায়নি জেলেদের ভাগ্য

আপডেট : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৫:০০

প্রতিকূল আবহাওয়ার সঙ্গে যুদ্ধ করে ইলিশ ধরেন মেঘনা নদীর উপকূলীয় রামগতি উপজেলার জেলেরা। কিন্তু দাদনের টাকা পরিশোধ করে লাভের অংশ কিছুই থাকে না তাদের হাতে। অন্যদিকে, জেলেদের হাত থেকে ছাড়ার পর মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যে ইলিশের দাম বাড়ে তিন-চার ধাপে। এতে সাধারণ মানুষও ন্যায্য দামে ইলিশ পান না।

উপজেলার মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মাছঘাটে প্রতিদিন আসতে শুরু করেছে রুপালি ইলিশ। সেখান থেকে খুচরা বাজারে বিক্রির জন্য পাইকাররা কিনে নেয়। ঘাট থেকে পাইকারি কিনে নিয়ে খুচরা বিক্রেতারা দাম হাঁকান ইচ্ছামতো। আবার মাছঘাটের আড়তগুলো থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা পিকআপে করে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলা শহরের আড়তগুলোতে বিক্রি করছেন। এভাবে তিন-চার হাত বদল হয়ে কেজিতে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা বেড়ে যায় ইলিশের দাম।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না ইলিশের দাম। গতকাল সোমবার উপজেলার সেন্টার খাল মাছঘাটে এক কেজি সাইজের ইলিশের মণ বিক্রি হয়েছে ৮০ হাজার থেকে ৮৩ হাজার টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশ ৬০ হাজার থেকে ৬৫ হাজার টাকা এবং জাটকা ২০ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় আড়তদাররা বলেন,  ‘জাল ও নৌকাসহ মাছ ধরার সব সরঞ্জাম কেনার জন্য আমরা জেলেদের ৫০ হাজার থেকে শুরু করে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকি। এটাকে আমরা আঞ্চলিক ভাষায় দাদন বলি। এই দাদনের বিনিময়ে আমরা তাদের কাছ থেকে মাছ অনুযায়ী কমিশন নিই। মূলত চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দাম কমছে না।’ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. সৌরভ-উজ-জামান বলেন, ইলিশ মাছের দাম নির্ধারণ কিংবা নিয়ন্ত্রণ করার কোনো ক্ষমতা নেই মৎস্য বিভাগের

 

ইত্তেফাক/এমএএম