ঈশ্বরদীতে প্রতারণার শিকার সনাতন ধর্মাবলম্বী ৩৬ পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে ঈশ্বরদীর উপজেলা প্রশাসন।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রতারণা করে হাতিয়ে নেওয়া টাকা ‘অনুদান’ হিসেবে ওই পরিবারগুলোর মধ্যে বিতরণ করেন।
জানা যায়, উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচয়ে একটি প্রতারক চক্র দুর্গাপূজা উপলক্ষে চাল, ডাল, চিনি এবং নগদ টাকা অনুদানের কথা বলে হতদরিদ্র ৩৬ পরিবার থেকে মোট ২১ হাজার ৬০০ টাকা বিকাশের মাধ্যমে হাতিয়ে নেয়। প্রত্যেক পরিবারের কাছ থেকে নেওয়া হয় ৬০০ টাকা। এই প্রতারণার ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ হলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। পরে পাবনার জেলা প্রশাসক মো. মফিজুল ইসলামের নির্দেশনায় ইউএনও মো. মনিরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে ভুক্তভোগী ৩৬ পরিবারকে ডেকে তাদের খোয়া যাওয়া অর্থ মানবিক সাহায্য হিসেবে ফেরত দেন।
মানবিক সাহায্য পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে ভুক্তভোগীরা বলেন, সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখেছে প্রশাসন। আমাদের কষ্টে উপার্জিত হারিয়ে যাওয়া টাকা অনুদান হিসেবে ফিরিয়ে দিয়েছেন নতুন ইউএনও। তাই আমরা অনেক খুশি।
ঈশ্বরদীর নবাগত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘দুর্গাপূজায় অনুদানের নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ’ এমন শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি জানতে পারি। পরে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনায় ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে ডেকে তাদের খোয়া যাওয়া টাকা মানবিক সাহায্য হিসেবে দেওয়া হলো।
এদিকে এ ঘটনায় ঈশ্বরদী থানায় প্রতারণা মামলা দায়ের হয়েছে। প্রতারকদের গ্রেপ্তারে কাজ করছে প্রশাসনের বিশেষ টিম।
ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার দাশ বলেন, এ ঘটনায় থানায় একটি প্রতারণা মামলা হয়েছে। প্রতারকদের গ্রেপ্তারে প্রশাসন যৌথভাবে কাজ করছে।

