সিলেটে বিনার কর্মশালা

কৃষিকে আরো বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৯, ২০:৫৮

কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (গবেষণা অনুবিভাগ) বলাই কৃষ্ণ হাজরা বলেছেন, গবেষণা ও সম্প্রসারণ এ দুটি পদ্ধতির সমন্বয় ঘটিয়ে কৃষিকে আরো বহুদূর এগিয়ে নেয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চল অনেক সম্ভাবনাময়। এখানে লুকিয়ে থাকা সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে জাতীয় উন্নয়ন ঘটাতে পারেন কৃষিবিদ ও সংশ্লিষ্টরা। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও উন্নয়নে কৃষিপণ্য উত্পাদনে আমাদের প্রান্তিক কৃষক জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। কৃষিপণ্যের জাত আবিষ্কার করে উত্পাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে গবেষণা চলছে। সরকার প্রান্তিক কৃষকদের উন্নয়নে নানাভাবে সহযোগিতা করছে। তিনি গতকাল রবিবার সিলেট কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের হলরুমে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্র সুনামগঞ্জ আয়োজিত গবেষণা ও সম্প্রসারণ পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যত্ কর্মসূচি প্রণয়ন সংক্রান্ত আঞ্চলিক কর্মশালা-১৯ এ প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

কর্মশালায় বিনার ভারপ্রাপ্ত আঞ্চলিক কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম আউশ, আমন, বোরোসহ বিনার বিভিন্ন জাতের বীজের কর্মক্ষমতা, সাফল্য, সম্ভাবনা উপস্থাপন করেন। বিনা-১৯, বিনা-১৪, বিনা-৫, বিনা-১১, বিনা-২০-এর গড় উত্পাদনসহ চাষবাসের নিয়ম এবং ফলনের সময় সম্পর্কে অবহিত করেন। কর্মশালায় অংশগ্রহণকারীরা বিনার বীজ বাজারজাতকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

দিনব্যাপী কর্মশালায় বিনার মহাপরিচালক ড. বীরেশ কুমার গোস্বামীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি বিভাগের সিলেটস্থ অতিরিক্ত পরিচারক কৃষিবিদ মো. শাহজাহান, বিনার পরিচালক (প্রশিক্ষণ ও পরিকল্পনা) ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গির আলম। কর্মশালায় সিলেট বিভাগের ৪০ জন কৃষি কর্মকর্তা অংশ নেন।

এদিকে বিকেলে জৈন্তাপুর সাইট্রাস গবেষণা সেন্টারে আয়োজিত বারি গোলমরিচ-১ আধুনিক উত্পাদন কলাকৌশল শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি। তিনি সেখানে বাংলাদেশ মসলা জাতীয় ফসলের গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্পের আর্থিক সহযোগিতায় জৈন্তাপুর কৃষি গবেষণা সেন্টার সাইট্রাস বারি গোলমরিচ-১-এর আধুনিক উত্পাদন কলাকৌশল শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বক্তব্য রাখেন।