কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সংকট রয়েছে। ফলে চিকিত্সাসেবা থেকে বঞ্চিত উপজেলার প্রায় ৪ লাখ মানুষ। ২১ জন ডাক্তার ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মাঝে আছে মাত্র তিন জন। এ দিয়ে কোনো রকম চলে আউটডোর। হাসপাতালটিতে একজন স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, দুই জন মেডিক্যাল অফিসার ও একজন ইউনানী ডাক্তারসহ মোট চার জন ডাক্তার বর্তমানে কর্মরত। যা দিয়ে ৫০ শয্যা হাসপাতালটি প্রায় অচলাবস্থায় চলছে।
হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রোগী শিখা আক্তার বলেন, ভর্তি হওয়ার পর কোনো ডাক্তার আসেনি। শুধু নার্সরা আমাদের স্যালাইন, ইনজেকশন ও ওষুধ দিয়ে যাচ্ছে। রবিবার আউটডোরে শত শত রোগীর ভিড় দেখা যায়। রোগী চরপুক্ষিয়া গ্রামের কামাল মিয়া ও জালালপুরের ওয়েসকোরনী বলেন, সাধারণ চিকিত্সা নিতে এসে ডাক্তারের অভাবে চিকিত্সা পাচ্ছি না। এ ব্যাপারে কটিয়াদী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ইউ এইচ এ ডা.মো.শফিকুল আলম বলেন, এ সংকটের মধ্যেই কোনোরকম স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছি। সদ্য দুই জন মেডিক্যাল অফিসারকে পদায়ন করা হয়েছে বলে শুনেছি। কিন্তু অদ্যাবধি যোগদান করেননি।
উপজেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ডা. মুশতাকুর রহমান বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ডাক্তার পদায়নের চেষ্টা করব। এভাবে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট একটি হাসপাতাল চলতে পারে না।
কিশোরগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, কিশোরগঞ্জের প্রতিটি উপজেলাতেই ডাক্তার সংকট রয়েছে। তবে কটিয়াদীতে প্রকট। দুই জন মেডিক্যাল অফিসার পোস্টিং হলেও তারা যোগদান করেননি। অচিরেই দুই জন মেডিক্যাল অফিসার পদায়ন করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
