ঝিনাইদহ সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র সামিউল আলম সাফিন হত্যার দীর্ঘ আট মাস পর মোটিভ উদ্ধার করেছে পিবিআই।
গ্রেফতার করা হয়েছে হত্যাকাণ্ডে জড়িত মেহেদী হাসান বিল্টুকে। তবে তার মা জাহানারা বেগম পলাতক রয়েছে। বিল্টু ঝিনাইদহ পৌরসভার গয়াশপুর গ্রামের লিয়াকত আলীর ছেলে।
বিল্টু শনিবার আদালতে হত্যার বর্ণনা ও দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে বলে জানান মামলার তদন্ত অফিসার তৌহিদুল ইসলাম।
তদন্ত অফিসার পিবিআইয়ের এসআই তৌহিদুল ইসলাম বলেন, মেহেদী হাসান বিল্টুকে খুঁজে পেতে তার বড় ভাই লাল্টুকে টাইলসের কাজ করার কথা বলে কৌশলে পিবিআই অফিসে ডেকে নিয়ে নজরবন্দি করা হয়। এরপর তাকে নিয়ে ঢাকায় যায় পিবিআইর দল। লাল্টুকে দিয়ে ফোন করে বিল্টুর অবস্থান শনাক্ত করা হয়। ঢাকার পল্লবী থানার কালশী এলাকা থেকে বিল্টুকে গ্রেফতার করা হয়। ঝিনাইদহ পিবিআই অফিসে এনে জিজ্ঞাসাবাদে সাফিন হত্যার বর্ণনা দেয় বিল্টু।
বিল্টু পিবিআইকে জানিয়েছে, ঝিনাইদহ প্রিন্স হাসপাতালে টাইলসের কাজ করার সময় সে ও তার মা ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন আলমের বাড়িতে চুরি করার ফন্দি আটে। ২০১৮ সালের ২৮ নভেম্বর বিল্টু ও তার মা জাহানারা বেগম আলমের বাসায় চুরি করে বেরিয়ে আসার সময় ছেলে সাফিন দেখে ফেলে। এ সময় দুজনে মিলে সাফিনকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পালিয়ে যায়। ঘটনার পরদিন সাফিনের বাবা কালীচরণপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন আলম ঝিনাইদহ সদর থানায় হত্যা মামলা করেন।
