নাঙ্গলকোটে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৯, ২১:০২

নাঙ্গলকোটে সুমি আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু  হয়েছে। রবিবার উপজেলার পেরিয়া ইউপির শ্রীফলিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। মৃত সুমি ঐ গ্রামের প্রবাসী সোহেল হোসেন ওরফে সোহাগের স্ত্রী ও আদ্রা উত্তর ইউপির মেরকট গ্রামের খোরশেদ আলমের মেয়ে। সুমিকে যৌতুকের জন্য হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিবার।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত দেড় বছর আগে শ্রীফলিয়া গ্রামের মুন্সি বাড়ির মাঈন উদ্দিনের বড়ো ছেলে সোহেল হোসেন ওরফে সোহাগের সঙ্গে পারিবারিকভাবে সুমি আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় সুমির পরিবার যৌতুক হিসেবে এক লাখ টাকা সোহাগের বাবা মাঈন উদ্দিনকে দেন। যৌতুকের টাকা বাবার কাছে দেওয়াকে কেন্দ্র করে সোহাগ প্রায়ই সুমিকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করত। রবিবার সকালে খাটের ওপর শোয়া অবস্থায় সুমির লাশ উদ্ধার করে থানা পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে সোহাগের পরিবারের সকল সদস্য পলাতক।

এ বিষয়ে নিহতের মা পারুল বোগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, যৌতুকের জন্য শ্বশুর বাড়ির লোকজন সুমিকে হত্যা করেছে। তিনি এ হত্যার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। নিহতের গায়ে আঘাতের কোনো চিহ্ন পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।