কমলগঞ্জে ব্যাহত হচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষা

১৫২ বিদ্যালয় তদারকিতে কর্মকর্তা মাত্র দুই জন

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৯, ২১:০২

কমলগঞ্জ উপজেলায় প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ছাড়াও ছয়জন সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তার স্থলে আছেন মাত্র একজন। ফলে বিদ্যালয়গুলো পরিদর্শন, পড়াশুনার মান এবং উন্নয়ন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন গাইড লাইন (স্কুল লেভেল ইমপ্রোভমেন্ট প্ল্যান স্লিপ) এর কাজের তদারকি করাও সম্ভব হচ্ছে না। উন্নতি হচ্ছে না ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার মান।

পতনঊষারের সামছুদ্দীন আহমদ, আক্তার মিয়া, বিল্লাল মিয়াসহ কয়েকজন অভিভাবক বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা ভালো পাঠদান করেন না। তারা কোনোমতে সময় পার করেই চলে যান। তাছাড়া প্রধান শিক্ষকরা অফিসের কাজেই ব্যস্ত থাকেন। কাউকে স্কুল তদারকিতেও আসতে দেখা যায় না। ফলে ছাত্রদের পড়াশুনার মান উন্নত হচ্ছে না।

কমলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষক সমিতির সভাপতি অসমঞ্জু রায় বলেন, স্লিপের বরাদ্দের কাজ ও মালামাল ক্রয় মোটামুটি সবকটি স্কুলে সম্পন্ন হয়েছে। বায়োমেট্রিক মেশিন কেনার জন্য টাকা উত্তোলন করে আগাম ভাউচার দেয়া হয়েছিল। তবে এখন মেশিন ক্রয় স্থগিত থাকায় এ টাকা রয়েছে। বিশেষ কোনো কারণ ছাড়া শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আসতে বিলম্ব হয় না বলে তিনি দাবি করেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন ৩০ জুনের মধ্যে স্লিপের টাকার কাজ শেষ হওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, উপজেলায় আমরা দুজন কর্মকর্তার পক্ষে ১৫২টি বিদ্যালয় তদারকি করা খুবই কঠিন। ছয়জন সহকারী শিক্ষকের পদে আছেন মাত্র একজন। তাছাড়া সরকারি নানা প্রোগ্রাম, অফিসিয়াল কাজ, স্কুল পরিদর্শন, প্রশিক্ষণ সবই করাতে হচ্ছে। কয়েকটি স্কুলে ঘুরে স্লিপের বরাদ্দকৃত টাকার কাজ দেখা গেছে। যেগুলোতে এখনও সম্ভব হয়নি তাদের মালামাল ক্রয় ও কাজ না করে উপায় নেই। কোনো শিক্ষকের দেরিতে আসার সংবাদ পাওয়া গেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।