পলাশে নিজের বাল্যবিয়ে বন্ধ করলেন ৯ম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। রবিবার দুপুরে উপজেলার পারুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী কাকলী আক্তার (১৪) নিজের বাল্যবিয়ের বিষয়টি ঐ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোজ্জাম্মেল হোসেনকে জানালে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা ইয়াসমিনকে অবগত করেন। পরে নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে বাল্যবিয়ে থেকে রক্ষা পায় কাকলী।
উপজেলা মহিলাবিষয়ক কার্যালয়ের অফিস সহকারী আব্দুল বাছেদ জানান, উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের দক্ষিণ দেওড়া গ্রামের কাজল মিয়ার মেয়ে কাকলী আক্তারকে অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে—এমন খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার হস্তক্ষেপে উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সেলিনা আক্তারকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। পরে ঐ শিক্ষার্থীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়। এসময় শিক্ষার্থীর পরিবার অঙ্গীকার করেন যে, মেয়ের প্রাপ্ত বয়স না হওয়া পর্যন্ত কাকলী আক্তারকে লেখাপড়া শেখাবেন।
