আনসারের উপ-পরিচালকের পৈত্রিক বাড়ি দখলের অভিযোগ

আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০২৫, ০১:৫২

রাজধানীর কুড়িলের প্রগতি সরণিতে একটি চার তলা বাড়ির নিচতলা দখলের অভিযোগ উঠেছে একটি কোচিং সেন্টারের মালিকের বিরুদ্ধে। শনিবার (৪ অক্টোবর) সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন আনসার ভিডিপির উপপরিচালক কামরুন নাহারের স্বামী এএসএম নোমান আলম। 

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন পৈত্রিক সূত্রে বাড়ির মালিক কামরুন নাহার ও তার আইনজীবী খায়রুল আলম। সংবাদ সম্মেলনে টাঙ্গাইলের শাহীন কোচিং সেন্টারের মালিক মো. মাছুদুল আমীন শাহীন ও তার লোকজন জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে স্বাক্ষর ও যুক্তপত্র তৈরি করে কুড়িলের প্রগতি সরণীর ৯৬/৩-ক নম্বর বাড়ির নিচতলা দখল করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়। 

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এএসএম নোমান আলম জানান, তার স্ত্রী আনসার ও ভিডিপি’র ময়মনসিংহ রেঞ্জের উপপরিচালক কামরুন নাহার পৈত্রিকসূত্রে চার তলা বাড়ির মালিক। ওই বাড়ীর ২ হাজার ৫’শ বর্গফুট আয়তনের নীচ তলাটি গাড়ীর শো-রুম করার জন্য রয়েল সিলেকশনের মালিক রশিদ আহমেদ জুয়েলের সাথে গত ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি ৫ বছর মেয়াদী একটি চুক্তিপত্র হয়। যার মেয়াদ আগামী ৩১ ডিসেম্বর শেষ হবে। ওই আলোকে রশিদ আহমেদ জুয়েল গাড়ীর শো-রুম দিয়ে ব্যবসা করে আসছিল। পরে তার অজান্তে মো. মাছুদুল আমীন শাহীন জুয়েলের সাথে ব্যবসা শুরু করে। পরে সে তার স্ত্রী কামরুন নাহারের স্বাক্ষর জাল করে একটি ভুয়া ভাড়াটিয়া চুক্তিপত্র তৈরি করে। পরে ২০২৩ সালের ২১ এপ্রিল জুয়েলকে শো-রুম থেকে বের করে দিয়ে ওই দিন রাত পৌনে ২টায় ওই বাড়ীর বেসমেন্টের তালা কেটে ২টি ফ্লোর দখল করে। গত ২ মে তার স্ত্রী কামরুন নাহারকে বিবাদী করে দ্বিতীয় সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা করে (মামলা নং- ২৮৩/২৩)। আদালত শুনানি শেষে গত ২০২৪ সালের ৮ এপ্রিল ওই মামলাটি খারিজ করেন দেন। পরে গত ২০২৪ সালের ২৯ মে মো. মাছুদুল আমীন (শাহীন) একই আদালতে বাড়ী ভাড়া মোকদ্দমা দায়ের করলে (মোকদ্দমা নং- ১৭/২৩) আদালত গত ২৬ আগস্ট ওই মামলাটি নামঞ্জুর করেন।

ইত্তেফাক/এমএএম