মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ফেনীর জেল সুপার রফিকুল কাদেরসহ আরো সাত জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদের আদালতে এই সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষ্য প্রদানকারী অন্যরা হলেন—ডেপুটি জেলার মনির হোসেন, কারারক্ষী মো. শাহনেওয়াজ, মো. রিপন ও ছবি রঞ্জন ত্রিপুরা এবং মোশারেফ হোসেন ও মো. গোলাম মাওলা।
জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি হাফেজ আহাম্মদ ও বাদীর আইনজীবী শাহজাহান সাজু বলেন, নুসরাত হত্যা মামলায় এখন পর্যন্ত বাদীসহ ৫৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। আজ সোমবার নুসরাতের পিতা এ কে এম মুসা মানিক, মোহাম্মদ আলী ও সৈয়দ সেলিমের সাক্ষ্য প্রদানের তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
চলতি বছরের ২৭ মার্চ সোনাগাজীর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে যৌন নিপীড়নের দায়ে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ৬ এপ্রিল ঐ মাদ্রাসা কেন্দ্রের সাইক্লোন শেল্টারের ছাদে নিয়ে অধ্যক্ষের সহযোগীরা নুসরাতের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেয়। টানা পাঁচ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে মারা যান নুসরাত জাহান রাফি। এ ঘটনায় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) অধ্যক্ষ সিরাজ উদ দৌলাসহ ১৬ জনের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
