ছেলেধরা গুজবে গণপিটুনিতে কোনো ভদ্রঘরের সন্তান কখনো অংশগ্রহণ করতে পারে না। কাউকে ছেলেধরা মনে হলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়া প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হওয়া উচিত। কাউকে মারধর করা ঠিক নয়। যারা আইন হাতে তুলে য়ে তারাও অপরাধী। তাদের উদ্দেশ্য ভালো হতে পারে না। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উচিত হবে চারদিকে টহলদারি ব্যবস্থা জোরদার করা। ছেলেধরা গুজবে ধরা পড়া কিংবা সন্দেহভাজন লোকদের ব্যাপারে যাচাই-বাছাই করে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। তাছাড়া যারা অপরাধী, অন্য দেশে পালিয়ে থেকে অপরাধকে উসকে দিচ্ছে—তাদের দিকে এবং একাত্তরের পাকিস্তানি দালালদের বংশধরদের প্রতি কঠোর নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন বলে মনে করি। কারণ এও হওয়া বিচিত্র নয়, এদেরই ইন্ধনে ছেলেধরা গুজবে গণপিটুনি দিয়ে নিরপরাধ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করা হচ্ছে। অর্থাত্ দেশে একটা অরাজকতা সৃষ্টি করে দেশের উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করা! এ অবস্থায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি চাই এবং দেশের প্রতিটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তা দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
লিয়াকত হোসেন খোকন
ঢাকা
