নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলা আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের সেনবাগ শাখায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) অভিযান চালিয়েছে। অভিযানের সময় ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার (ম্যানেজার) মো. আলমগীর পলাতক ছিলেন।
সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে দুদকের নোয়াখালী জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের এনফোর্সমেন্ট টিম এই অভিযান পরিচালনা করে। দেড় ঘণ্টাব্যাপী চলা এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন দুদকের জেলা উপপরিচালক মাহফুজ রানা, উপপরিচালক চিন্ময় চক্রবর্তী ও কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস।
অভিযান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আল মামুন। দৈনিক ইত্তেফাকসহ স্থানীয় সাংবাদিকদের তিনি জানান, দুনীতি দমন কমিশন (দুদক) প্রধান কার্যালয়ের আদেশে তারা জেলা সমন্বিত কার্যালয় থেকে এনপোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক সেনবাগ শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার (ম্যানাজার) অভিযুক্ত মো. আলমগীর ৪০ থেকে ৪২টি ফাইল নামে বেনামে (ভুয়া) ঠিকানা ব্যবহার করে তার ব্যবহৃত মোবাবইল নাম্বার দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। অভিযানে বেশ কিছু ফাইল খুঁজে পাওয়া যায়নি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) মো. আলমগীর সর্বশেষ অফিস করেন। এরপর থেকে তিনি কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন।
ঢাকা থেকে ঝটিকা সফরে ব্যাংকে অডিট করতে আসা আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক ঢাকার প্রিন্সিপাল অফিসার আবদুল আলিম মজুমদার। তিনিও ম্যানাজার পলাতক থাকার কথা স্বীকার করে ইত্তেফাকসহ একাধিক গণমাধ্যমকে জানান, ৪০ থেকে ৪২ টি ভুয়া গ্রাহকের নাম দিয়ে প্রায় ১ কোটি ৪২ লাখ টাকার অমিল পাওয়া যায়। এ সময় বেশ কিছু ফাইল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন। তিনিও অর্থ ও ভুয়া গ্রাহকের সমস্ত অমিল গুলো প্রতিবেদন আকারে হেড অফিস বরাবর তুলে ধরবেন।
