রংপুরে পশুর হাটে বন্যার প্রভাব

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৯, ২১:১৯

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর

ঈদুল আজহার আর মাত্র অল্প কদিন বাকি। কিন্তু এখনো রংপুরের পশুর হাট জমে উঠেনি। বন্যা ও ডেঙ্গু জ্বরের কারণে রংপুরের কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মাঝে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ফলে কেনাবেচা নেই বললেই চলে রংপুর প্রধান পশুর হাট লালবাগসহ সর্বত্র। বন্যাদুর্গত এলাকার খামারি ও ক্ষুদ্র গরু ব্যবসায়ীরা চাচ্ছেন দ্রুত গরু বিক্রি করতে। কিন্তু ক্রেতা নেই।

অপরদিকে ক্রেতারা চাচ্ছেন আগে বন্যা পরিস্থিতি ও ডেঙ্গুর মহামারি স্বাভাবিক হোক তারপর গরু কেনা যাবে। এ অবস্থায় হাটগুলোতে গরুর সংখ্যা বাড়লেও ক্রেতা তেমন একটা নেই। তাই বেচাকেনাও হচ্ছে খুব সামান্য।

রংপুর অঞ্চলে গরুর হাটের সংখ্যা শতাধিক। এর মধ্যে রংপুরের বড় পশুর হাটগুলো হলো তারাগঞ্জ হাট, বদরগঞ্জ হাট, বড়াইবাড়ী হাট, লালবাগ, বুড়িরহাট, চৌধুরানীর হাট, নজিরের, পাওটানা, কান্দির হাট, দেউতি, টেপা মধুপুর, খানসামা মিঠাপুকুর, বৈরাতি, জায়গির হাট, শঠিবাড়ী, বালুয়া হাট, মাদারগঞ্জ হাট, ভেন্ডাবাড়ী হাট। এছাড়াও লালবাগ ও বুড়িরহাটসহ রংপুর সিটি করপোরেশন এলাকায় রয়েছে চারটি। এসব হাটে স্বাভাবিকভাবে যে গরুর আমদানি হয় তার কিছুটা বেশি দেখা গেছে।

বন্যাদুর্গত এলাকার খামারিরা খাদ্যের সংকটে দ্রুত তাদের পশু বিক্রি করতে হাটে তুলছেন। তাই পশুর আমদানি তুলনামূলক কিছুটা বাড়লেও সে অনুপাতে ক্রেতার সংখ্যা এখনো বাড়েনি।

অন্যদিকে পশুর মালিকরা বেশি দাম পাওয়ার আশায় বসে আছে। তাদের মতে, বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সামনে আরো অনেক হাট পাওয়া যাবে। তখন বেশি দামে বিক্রি করতে পারবে। তবে বিক্রেতাদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছে, ঈদের আগে পশুর দাম কমে যেতে পারে।

রংপুর প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুল আলম জানান, বন্যার কারণে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব পড়াটা স্বাভাবিক। তবে এ অবস্থা থাকবে না। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বন্যা হলেও এ অঞ্চলের খামারিরা গরুর ভালো দাম পাবে।