‘ভারত-বাংলাদেশের মানুষে মানুষে যোগাযোগ বেশি প্রয়োজন’

আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৯, ২১:৩৪

গ্যালারি কায়ার আমন্ত্রণে আর্ট 

ট্রিপে ভারতের চার শিল্পী

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ভারত ও বাংলাদেশের মানুষে মানুষে যোগাযোগটা সবচেয়ে আগে দরকার—এ ধরনের আয়োজন সেই যোগসূত্রটাই করে দেয়। আর এটা আমাদের দুই দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি জরুরি—বলছিলেন ভারতের স্বনামধন্য শিল্পী আদিত্য বসাক। গ্যালারি কায়ার আমন্ত্রণে ভারতের চার জন চিত্রশিল্পী বাংলাদেশে এসেছেন আর্ট ট্রিপে। তারা কক্সবাজার, পার্বত্য চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে ঘুরেছেন। তাদের বাংলাদেশ ভ্রমণের সেই অভিজ্ঞতা নিয়ে গতকাল মঙ্গলবার উত্তরায় গ্যালারি কায়া প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়েছিলেন তারা। এ আর্ট ট্রিপে অংশ নেওয়া শিল্পীরা হলেন আদিত্য বসাক, চন্দ্র ভট্টাচার্যি, অতীন বসাক ও জয়ন্ত নস্কর এবং গ্যালারি কায়ার পরিচালক গৌতম চক্রবর্তী।

গৌতম চক্রবর্তী বললেন, আমার সবসময় বাংলাদেশের শিল্পীদের নিয়ে বিদেশে আর্ট ট্রিপে গেছি। এবার ভারতের শিল্পীদের নিয়ে বাংলাদেশে আর্ট ট্রিপ করা হলো। এতে ভারতের শিল্পীদের বাংলাদেশ সম্পর্কে একটা ধারণা হবে। এখানকার মানুষ, প্রকৃতি সম্পর্কে তারা জানতে পারবে। এটাই আমাদের লক্ষ্য।

শিল্পী চন্দ্র ভট্টাচার্যি বলেন, ভারতে বাংলাদেশের শিল্পীরা প্রায় নিয়মিত বিভিন্ন কর্মশালায় অংশ নিতে যান। তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। এর বিপরীতে ভারতের শিল্পীদের বাংলাদেশে আসার সুযোগ কম হয়। গ্যালারি কায়া সে সুযোগটা করে দিয়েছে। নিজের কাজ প্রসঙ্গে বললেন, আমি মানুষের মুখ, অভিব্যক্তি তার শরীরী ভাষা নিয়ে কাজ করি। মানুষের মুখে যে কত রকমের ডাইমেনশন ফুটে ওঠে তা অবাক বিস্ময় লক্ষ্য করি। তুলে আনি ক্যানভাসে।

শিল্পী অতীন বসাক বললেন, জীবন ও জড়ের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে কাজ করি আমি। একজন মানুষ মারা যাওয়ার পরেও তার অস্তিত্ব মুছে যায় না। আমাদের জীবনে তাদের প্রভাব রয়ে যায়। সেই মানুষটা না থেকেও বিচরণ করেন আমাদের জীবনে। আমি সেই কথাই বলি।

আমার বিশ্বাস মনের অনুভূতি যদি ক্যানভাসে ফোটানো যায় তা বিশ্বের যে কোনো মানুষকে আলোড়িত করবেই। কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিন্ট মেকিং বিভাগের শিল্পী জয়ন্ত নস্কর বলেন, সমাজে রাজনৈতিক বিষয় নিয়ে কাজ করি। যেখানে অসঙ্গতি রয়েছে বলে মনে করি সেটাই ক্যানভাসে তুলে আনতে চাই।