স্পোর্টস রিপোর্টার
পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে অনেক প্রতিশ্রুতি নিয়েই শুরু করেছিলেন। জাতীয় দলে বেশ কিছু ভালো পারফরম্যান্স থাকলেও বিচিত্র সব কারণে টিকতে পারেননি। তাই বলে পারফরম্যান্স থেমে নেই। সর্বশেষ জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) ২২ উইকেট নিয়ে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন ফরহাদ রেজা। গতকাল আরও একবার প্রমাণ করলেন নিজেকে।
সপ্তম বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) তৃতীয় রাউন্ডের প্রথম দিনে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে ৭ উইকেট তুলে নিলেন পূর্বাঞ্চলের ফরহাদ রেজা।
ফরহাদের দুরন্ত বোলিংয়ে মধ্যাঞ্চলকে মাত্র ১১৮ রানে অলআউট করেছে পূর্বাঞ্চল। নিজেরাও ৩৭ রান তুলতে হারিয়েছে ১ উইকেট। দিনের অন্য ম্যাচে উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ৯ উইকেটে ২৮০ রান তুলেছে দক্ষিণাঞ্চল।
বগুড়ায় টসে জিতে মধ্যাঞ্চলকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় পূর্বাঞ্চল। সিদ্ধান্তটা খুব ফলপ্রসূ হয়েছে, তাতে সন্দেহ নেই। মধ্যাঞ্চল ৩৮ রানের একটা উদ্বোধনী জুটি পেয়েছিল। কিন্তু এরপর আর তারা প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। ফরহাদ রেজার বোলিংয়ের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি মধ্যাঞ্চলের টপ ও মিডল অর্ডার। লোয়ার অর্ডারে এসে শরিফুল্লাহ ২৩ ও জাকের আলী ২০ রান করে প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন। সেটাও শেষ করে দেন ফরহাদ। শেষ পর্যন্ত এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার ৩২ রানে নিয়েছেন ৭ উইকেট। প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে এটা ফরহাদের সেরা বোলিং।
চট্টগ্রামে ব্যাটে-বলে ভালো লড়াই হয়েছে। উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে দক্ষিণাঞ্চল। দলীয় ২১ রানেই ফিরে আসেন শাহরিয়ার নাফীস। আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয়ও ১৯ রান করে ফেরেন। এরপর ফজলে রাব্বি, তুষার ইমরান ও রকিবুল হাসান ভালো তিনটে ইনিংস খেলেন। তিন জনের মধ্যে ৬২ রান করা তুষার ও ৭৯ রান করা রকিবুলের উইকেট নেন সানজামুল। তিনি মোট ৪ উইকেট নিয়েছেন। মিডল অর্ডারের এই পাল্টা আক্রমণের পর খুব দ্রুত গুটিয়ে যেতে থাকে দক্ষিণাঞ্চলের ব্যাটিং লাইনআপ। শেষ পর্যন্ত ২৭৫ রানে তারা নবম উইকেট হারায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
মধ্যাঞ্চল—পূর্বাঞ্চল
মধ্যাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৫৫ ওভারে ১১৮/১০ (শরিফউল্লাহ ২৩, পিনাক ২১, জাকের আলী ২০; ফরহাদ রেজা ৭/৩২, আবু জায়েদ ২/৩৩)।
পূর্বাঞ্চল-১ম ইনিংস: ১৪ ওভারে ৩৭/১
দক্ষিণাঞ্চল—উত্তরাঞ্চল
দক্ষিণাঞ্চল-১ম ইনিংস: ৯০ ওভারে ২৮০/৯ (রকিবুল ৭৯, তুষার ৬২, ফজলে রাব্বি ৪৫, মেহেদী ২৩; সানজামুল ৪/৬২, এবাদত ২/৪১)।
