সোনাহাট স্থলবন্দরে ১৪ দিন ধরে পাথর আমদানি বন্ধ

আপডেট : ২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:৫৮

উত্তরের ভারতীয় সীমান্ত ঘেঁষা কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট স্থলবন্দরে গত ১৪ দিন ধরে পাথর আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা। অন্যদিকে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

ব্যবসায়ীরা জানান, ভারতের রপ্তানিকারকরা আগে প্রতি টন পাথর ৯০০ টাকায় বিক্রি করলেও হঠাৎ করে তারা টনপ্রতি ২০০ টাকা বৃদ্ধি করেন। ভারতে দাম বাড়লেও বাংলাদেশে পাথরের দাম টনপ্রতি ২০০–২৫০ টাকা কমেছে। ভারতের দামের এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে ব্যবসায়ীরা ১৩ নভেম্বর থেকে সোনাহাট স্থলবন্দরে পাথর আমদানি বন্ধ রেখেছেন।

সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি ও রপ্তানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতা আবুল হোসেন বলেন, আমরা পাথরের দাম প্রতিটন ৯৫০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছি। এই দামে না দিলে আমদানি বন্ধ থাকবে। অতিরিক্ত দামের কারণে আমরা প্রতি টনে ২০০টাকা থেকে ৩০০টাকা আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।  আমাদের দাবী মেনে নিলে আগামী রবিবার থেকে বন্দরে পাথর আমদানি পুনরায় চালু হবে।

সোনাহাট স্থলবন্দর শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা বদরুজ্জামান বলেন, ভারতের রপ্তানি ও আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা পাথরের দাম বাড়ার কারণে গত ১৩ নভেম্বর থেকে সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। বিষয়টি সমাধানের লক্ষ্যে দু’দেশের ব্যবসায়ীরা কথা বলছেন। আশা করি দুই তিন দিনের মধ্যে সমাধান হবে।

সোনাহাট স্থলবন্দর সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, দু’দেশের আমদানি ও রপ্তানিকারক ব্যবসায়ীদের কারণে সোনাহাট স্থলবন্দর পাথর আমদানি ও রপ্তানি বন্ধ রয়েছে। এতে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ  রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

ইত্তেফাক/এএইচপি