হোমনায় সরকারি ড্রেজার দিয়ে তিতাস নদী থেকে অতিরিক্ত বালু উত্তোলনে নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ভেঙে যাচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে উপজেলার চুনারচর, কাউয়ারটেক, নালাদক্ষিণ, বড় ঘাগুটিয়া, চণ্ডিপুর, সাফলেজির নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানান এলাকাবাসী। স্থানীয় প্রভাবশালী চক্রের যোগসাজশে বিআইডব্লিউটিএ এর কর্মকর্তারা নদী খননের নামে বালু বিক্রির আশায় নদীর একই জায়গা থেকে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন করছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। জমির মালিকরা নদী তীরবর্তী একই স্থানে ড্রেজিং বন্ধ করতে ড্রেজিং কর্তৃপক্ষের নিকট এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেও কর্তৃপক্ষ একই স্থান থেকে অতিরিক্ত বালু উত্তোলন বন্ধ করছেন না বলে জানান মালিকগণ। নালাদক্ষিণ গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী জানান, বিআইডব্লিউটিএ এক মাস আগে নদী খনন করে গেছে এখন বালু বিক্রির লোভে যেখানে বালু বেশি পাওয়া যায় সেখান থেকেই বালু উত্তোলন করছে। এতে কৃষকের ফসলি জমি নদীতে ভেঙে যাচ্ছে।
স্থানীয় মোঃ জজ মিয়া মেম্বার জানান, আমরা শতাধিক জমির মালিক গত ২৮ অক্টোবর ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেছি এবং এসিল্যান্ড স্যারের সাথে সাক্ষাত্ করে বালু উত্তোলন বন্ধ করতে অনুরোধ করেছি।
বিআইডাব্লিউটিএ এর উপ-সহকারী প্রকৌশলী মোঃ মাসুদ রানা বলেন, নদী খননের কারণে নদীর পাশের ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার কথা নয়। নদী খননের বিষয়ে কলসালটেন্টরা যেভাবে নির্দেশনা দিয়েছেন সেভাবেই খনন করা হচ্ছে। যেহেতু ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে । ইউএনও আজগর আলী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তের জন্য এসিল্যান্ডকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাজেদুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে তদন্ত চলমান রয়েছে।
