নীলফামারী-১ আসনে কে হচ্ছেন মহাজোটের প্রার্থী

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ২১:৫৯

ডোমার (নীলফামারী) সংবাদদাতা

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে এখনো তিন দলের তিনজন প্রার্থী মাঠে রয়েছে। প্রার্থীরা হচ্ছেন আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়নপ্রাপ্ত বর্তমান সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার, জাতীয় পার্টির (এ) প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকী ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি। তারা প্রত্যেকে জোটের মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে শতভাগ নিশ্চিত বলে দাবি করছেন।

আওয়ামী লীগের ২৩১ জন মনোনীত প্রার্থী তালিকার মধ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকারের নাম রয়েছে। ২৫ নভেম্বর দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকেই ডোমার ও ডিমলার দুই উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কর্মীসভা করছেন। ডোমার উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল আহমেদ বলেন, আমাদের দলের ২৩১ জনের মনোনয়ন চূড়ান্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে নীলফামারী-১ আসনে বর্তমান সংসদ সদস্য আফতাব উদ্দিন সরকার অন্যতম একজন।

জাতীয় পার্টির হয়ে এ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য জাফর ইকবাল সিদ্দিকী। তিনি ২০০৯ সালের নির্বাচনে মহাজোটের প্রার্থী হয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

ডোমার পৌর জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান চয়ন বলেন, নীলফামারী-১ আসনটি মহাজোটের পক্ষে জাতীয় পার্টির আগেও ছিল। এবারেও হাইকমান্ড থেকে আমাদের শতভাগ নিশ্চয়তা দিয়েছে। আর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা জাফর ভাইয়ের পক্ষে কাজ করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগও করছে। আমরা নির্বাচনী কাজও শুরু করে দিয়েছি। এখানে অন্য কাউকে মনোনয়ন দিলেও জাফর ইকবাল সিদ্দিকী লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ২০ দলীয় জোট হতে বের হয়ে বদরুদ্দোজা চৌধুরীর যুক্তফ্রন্টে যোগ দেন। আওয়ামী লীগ জোটের মনোনয়ন নিশ্চিত করেই তিনি ২০ দল থেকে বের হয়েছেন বলে ন্যাপের নেতা-কর্মীদের দাবি।

ন্যাপের কেন্দ্রীয় কমিটির মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বলেন, আওয়ামী লীগ হতে এই আসনটি আমাদের নিশ্চিত করা হয়েছে। আসনটি আমাদের না দিলেও দলীয় প্রতীক গাভি নিয়ে দলের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি নির্বাচনে অংশ নেবেন।

অপরদিকে এ আসনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ড. হমিদা বানু শোভা ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমিনুর হোসেন সরকার স্বতন্ত্র হয়ে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। 

কে মহাজোটের প্রার্থী হচ্ছেন এ নিয়ে তিন দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধোঁয়াশা সৃষ্টি হয়েছে। আর ভোটারদের মধ্যেও দেখা দিয়েছে বাড়তি উত্তেজনা।