ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রেখে ভারতের রাজ্যসভায় বিল পাস

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৯, ০০:৪৩

ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের জন্য বিপুল জরিমানা ও কারাদণ্ডের বিধান রেখে ভারতের রাজ্যসভায় পাস হয়েছে মোটর ভেহিকলস বিল। বুধবার উচ্চ কক্ষে মোটর ভেহিকলস (সংশোধনী) বিল, ২০১৯ তিনটি সংশোধনীসহ পাস হয়। এর পক্ষে ১০৮টি ভোট পড়ে। বিপক্ষে ভোট পড়েছিল ১৩টি। বিলটি ২৩ জুলাই লোকসভায় পাশ করানো হয়েছিল। এই বিল আইনে পরিণত হলে নতুন যানবাহন ডিলারপর্যায়েই রেজিস্ট্রেশন হয়ে যাবে। ক্রেতাদের রেজিস্ট্রেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে হবে না। প্রসঙ্গত, ভারতে প্রতি বছর সড়ক দুর্ঘটনায় দেড় লাখের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

১৮টি রাজ্যের পরিবহন মন্ত্রীদের পাঠানো প্রস্তাব থেকেই এই বিল গঠন করা হয়েছে। সড়ক পরিবহন এবং হাইওয়ে মন্ত্রী নীতিন গড়করি বলেন, এর ফলে ট্রাফিক আইন ভঙ্গের ক্ষেত্রে জনমনে ভীতি আসবে। ভারতে বর্তমানে ২২ থেকে ২৫ লাখ চালকের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার প্রতি কেন্দ্রের জন্য ১ কোটি টাকা করে দিতে প্রস্তুত রয়েছে। যা থেকে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আরো বেশি করে খোলা সম্ভব হবে।

আগেরবার এই বিল রাজ্যসভায় অনুমোদনের জন্য পড়েছিল। পরে ষোড়শ লোকসভার সমাপ্তিতে তা বাতিল হয়ে যায়। এই বিল অনুযায়ী, আপত্কালীন যানবাহনকে রাস্তা না ছাড়লে ১০ হাজা রুপি জরিমানা হবে। চালকের যোগ্যতা অর্জন না করে গাড়ি চালালেও ১০ হাজা রুপি জরিমানা গুনতে হবে। ড্রাইভিং লাইসেন্সে কারচুপি করলে ১ লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা হবে। গতির ক্ষেত্রে জরিমানার অঙ্ক ১ হাজার থেকে ২ হাজার রুপি। বিমা না করে গাড়ি চালালে জরিমানা হবে ২ হাজার রুপি। হেলমেট না পরলে দিতে ১ হাজার রুপি জরিমানা ও তিন মাসের জন্য লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত হবে। কোনো নাবালক সড়ক আইন ভাঙলে গাড়ির মালিক বা নাবালকের অভিভাবককে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। সেক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হবে ২৫ হাজার রুপি। সেই সঙ্গে তিন বছরের জেল এবং গাড়ির রেজিস্ট্রেশন বাতিল হবে। এ ছাড়া, অন্যান্য অপরাধের ধরন অনুযায়ী দেড় লাখ রুপি পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের