জয়পুরহাট-২ আসন

আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় বিএনপি ও জামায়াতের দুই প্রার্থীকে শোকজ

আপডেট : ০৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:০০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়পুরহাট-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুল বারী ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজকে আচরণ বিধি লঙ্ঘনের দায়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে স্থানীয় নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।

তাদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে ব্যাপারে আগামী ১১ জানুয়ারি নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে ব্যাখ্যা জানাতে বলা হয়েছে ওই নোটিশে।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির বিচারক এবং সিনিয়র সিভিল জজ মো. ফয়সাল আহমেদ অভিযুক্ত দুই প্রার্থীকে  লিখিতভাবে এ নির্দেশ দেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, বিএনপি মনোনীত জয়পুরহাট-২ আসনের প্রার্থী মো. আব্দুল বারী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে (ফেসবুক পেজ সবার আগে বাংলাদেশ, হৃদয়ে বারী স্যার ও Hanif Mohammad) দেখা যায় যে, আপনার সমর্থকরা গত ২৩ ডিসেম্বর, ২৮ ডিসেম্বর ও ৪ জানুয়ারিসহ বিভিন্ন তারিখে জয়পুরহাট-২ আসনের বিভিন্ন এলাকায় এবং হাট বাজারে আপনার ছবি সম্বলিত ধানের শীষ মার্কার হ্যান্ড বিল নিয়ে গণসংযোগ ও প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছেন।’

অপরদিকে আরেকটি নোটিশে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী মনোনীত জয়পুরহাট-২ আসনের প্রার্থী এস এম রাশেদুল আলম সবুজ  ভেরিফাইড ফেসবুক আই.ডি (Rashedul Alom Sabuj)-তে গত ২৭ ডিসেম্বর, ১ জানুয়ারি ও ৪ জানুয়ারিসহ বিভিন্ন তারিখে দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চেয়ে আপনার ছবি সম্বলিত পোস্টার নির্বাচনী প্রচারণার জন্য পোস্ট করা হয়েছে।’

দলীয় প্রার্থীদের এমন কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ১৮ লঙ্ঘন। এ অবস্থায় কেন তাদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন বরাবর প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে না কিংবা অপরাধ আমলে গ্রহণ পূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না। তা স্ব-শরীরে হাজির হয়ে লিখিতভাবে প্রার্থীদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চেয়েছেন নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি।  ব্যর্থতায় তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, এই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা  (প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি) প্রতীক পাওয়ার পরই প্রচারণায় নামতে পারবেন।

ইত্তেফাক/এপি