শীত লাঘবের চেষ্টায় পুরনো গরম কাপড়ের দোকানে নিম্ন আয়ের মানুষের ভিড়

আপডেট : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৫১

সারাদেশে কমছে তাপমাত্রা। সঙ্গে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। আর এই তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে-খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষরা। সারাদেশে মতো বরগুনাতেও কমছে তাপমাত্রা। সকালে তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি থাকলেও রাতে তা ১৩ থেকে ১২ তে নেমে যায়।

শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে শীতের গরম কাপড়ের চাহিদাও। কিন্তু শহরের শপিংমলগুলোতে গরম কাপড়ের দাম নিম্ন আয়ের মানুষের হাতের নাগালে। তাই তারা ঝুকছে ফুটপাতের কমমূল্যের দোকানের দিকে। নিম্ন আয়ের মানুষ স্বল্প দামে গরম কাপড় কিনতে এসব দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন।

এসব দোকানে নতুন কাপড়ের সঙ্গে পাওয়া যায় পুরনো গরম কাপড়ও। বাজারে ট্রাউজার, ফ্ল্যানেলের শার্ট, চাদর, জ্যাকেট, সোয়েটার, উলের টুপি, মাফলার, কোট, কান টুপি ও মোজা পাওয়া যাচ্ছে। এসব পোশাক ২০ টাকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন্ দামে বিক্রি হচ্ছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় দেখা যাচ্ছে।

শহরের কলেজ রোডের পোশাক বিক্রেতা মো. জাবের জানান, প্রতি বছর শীত মৌসুমে এখানে গরম কাপড় বিক্রি করেন তারা। শীত যত বাড়ে, বিক্রিও তত বাড়ে। গত কয়েক দিনের তীব্র ঠাণ্ডায় তাদের বেচাকেনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

নতুন বাজারের বিক্রেতা রাজ্জাক খান জানান, শীতের এই সময়ে তাদের ব্যস্ততা অনেক বেড়ে যায়। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় ক্রেতাদের চাহিদাও বেশি। সামনের দিনগুলোতে বিক্রি আরও বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

নতুন বাজার থেকে গরম কাপড় কিনতে আসা রিকশাচালক মালেক জানান, তারা অল্প আয়ের মানুষ হওয়ায় শপিংমল থেকে কাপড় কেনার সামর্থ্য নেই। তাই ফুটপাতের দোকান থেকেই গরম কাপড় কিনছেন। এসব কাপড় কিছুটা পুরনো হলেও শীত নিবারণে অনেক ভালো। 

ইত্তেফাক/এএস/এএম