প্রথম টেস্টের দলে ছিলেন জোফরা আর্চার। ফিটনেসের সমস্যা না থাকলে হয়তো অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট দিয়ে সাদা পোশাকে অভিষেকও হয়ে যেত। কিন্তু পিঠের পাশের দিকে ব্যথা থাকায় খেলতে পারছেন না তিনি। এখন ইংল্যান্ড দল তাকে ফিটনেস প্রমাণের জন্য ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ও একটি তিন দিনের ম্যাচ খেলার জন্য ছেড়ে দিচ্ছে।
এজবাস্টন টেস্টের জন্য ইংল্যান্ডের ১৪ সদস্যের দলে ছিলেন আর্চার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে একাদশের বাইরে রাখা হয়। কারণ তিনি ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার জন্য লড়ছিলেন।
জোফরা আর্চারের প্রথম টেস্ট না খেলা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক জো রুট বলছিলেন, ‘জোফরা একটা বড় ইনজুরি থেকে উঠে এসেছে। আমরা কন্ডিশনের দিকে লক্ষ রেখেছি এবং এখানে ২০ উইকেট নেওয়ার জন্য সেরা হয় এমন একটা দল বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
ফিট আর্চারের যে অ্যাশেজে বড়ো অবদান রাখার সুযোগ আছে, সেটা জানিয়ে রুট বলছিলেন, ‘এটা (না খেলা) তাকে তৈরি হয়ে ওঠার সুযোগ দেবে এবং তার কাজের বোঝা এতে কমবে। এতে নিশ্চিত করা যাবে যে সিরিজের পরের দিকে যখন দরকার হবে, তখন এসে সে যেন প্রভাব ফেলতে পারে। এই সপ্তাহ জুড়ে তার ফিটনেসের দিকে লক্ষ রাখা হবে। এটা খুব জরুরি যে সে যেন প্রস্তুত থাকে এবং প্রয়োজনের সময় ভিন্ন কিছু করতে পারে।’
ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক ছিলেন এই হঠাত্ চমক জাগানো ক্যারিবীয় খেলোয়াড় আর্চার। তিনি ২৩.০৫ গড়ে ২০ উইকেট নিয়েছেন বিশ্বকাপে। সেই সঙ্গে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ট্রফি জেতানো সেই সুপার ওভারটিতে বলও করেছেন।
বিশ্বকাপ জেতার পর বারবাডোজে সংক্ষিপ্ত একটা ভ্রমণ শেষে আর্চার সাসেক্সের হয়ে সারের বিপক্ষে একটা টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের ম্যাচ খেলেছেন। এরপর যোগ দিয়েছেন টেস্ট দলে।
এখন তাকে গতকাল রাতে কেন্টের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টের ম্যাচ খেলার জন্য দল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর তিনি দ্বিতীয় একাদশের হয়ে একটা তিন দিনের ম্যাচ খেলবেন।
পাশাপাশি আর্চারকে হয়তো উরচেস্টারশায়ারের কাছে ধারে দেওয়া হতে পারে, যাতে তিনি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারেন। এরকম ঘটনা এর আগে ইংল্যান্ড ঘটিয়েছে অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস, নিক কম্পটন, জেমস টেলরের জন্য।
আর্চার ছাড়াও প্রথম টেস্টের দলের বাইরে ছিলেন অলি স্টোন ও স্যাম কুরান। এই দুজনকেও টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট ম্যাচ খেলার জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
