ঋণ জালিয়াতি করে পৌনে ১১ কোটি টাকা আত্মসাত্

আপডেট : ০৫ ডিসেম্বর ২০১৮, ২২:১৪

ইত্তেফাক রিপোর্ট

ভুয়া রেকর্ডপত্রের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি বন্ধক রেখে পৌনে ১১ কোটি টাকা ঋণ আত্মসাতের অভিযোগে গ্রহিতাসহ মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের পাঁচ সদস্যসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ব্যাংক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ৯০টি ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে এ টাকা আত্মসাত্ করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে মতিঝিল থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

আসামিরা হলেন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ও পরিচালক আকরাম হোসেন (হুমায়ুন), পরিচালক মো. আমান উল্লাহ, মো. সেলিম, মো. আনোয়ারুল হক, সাবেক পরিচালক এস এম সাকিল আখতার, মো. মনসুরুজ্জামান ও তৌফিক রহমান চৌধুরী, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মাহতাব উদ্দিন, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. রবিউল ইসলাম, এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও মার্কেন্টাইল ব্যাংকের সাবেক সিনিয়র অফিসার তনুশ্রী মিত্র, সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নবী-উস-সেলিম এবং প্যাট্রিক ফ্যাশনস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঋণ গ্রহিতা কাজী ফরহাদ হোসেন।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, প্যাট্রিক ফ্যাশনস লিমিটেড ভুয়া রেকর্ডপত্রের মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তিকে নিজের সম্পত্তি দেখিয়ে তা বন্ধক রেখে অন্যান্য আসামিদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় ৯০টি ব্যাক টু ব্যাক এলসির বিপরীতে ২০০০ সালের ২২ অক্টোবর মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের প্রধান শাখা থেকে আট কোটি টাকা উত্তোলন করে। কিন্তু ঋণ গ্রহিতা বিদেশি ক্রেতার চাহিদা ও সময় মত রপ্তানি কার্যক্রম সম্পাদন করতে ব্যর্থ হওয়ায় রপ্তানি আয় হতে সকল ব্যাক টু ব্যাক এলসির দায় পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়। এর মধ্যে ঋণের কিছু টাকা পরিশোধ করলেও সাত কোটি ৭৪ লাখ ৮১ হাজার ৭৯৬ টাকা অপরিশোধিত থাকে। যা পরবর্তীতে সুদে-আসলে ১০ কোটি ৮৩ লাখ ৪১ হাজার ১২ টাকা হয়। এ টাকা পরিশোধ না করে আত্মসাত্ করে বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।