বাঘার গরু যাচ্ছে ঢাকায়

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৩

আর মাত্র কদিন পর কোরবানির ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বাঘা উপজেলার দুটি পশুহাট। এসব হাটে যেসব এলাকা থেকে গরু আমদানি করা হচ্ছে তার মধ্যে গুরুত্ব বহন করে চলেছে উপজেলার সীমান্তবর্তী বিস্তীর্ণ পদ্মার চরাঞ্চল এলাকা। সেখানে প্রত্যেক বাড়িতে রয়েছে দু-চারটি করে গরু। বর্তমানে এ সকল গরু সমতল এলাকায় পালন করা হাজার হাজার গরু স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পাঠানো হচ্ছে রাজধানী ঢাকায়।

স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান ও মিলন হোসেন জানান, রাজশাহী, নাটোর ও পাবনার একটি অংশ নিয়ে সপ্তাহ জুড়ে এই অঞ্চলে গরুর হাট বসে। এর মধ্যে রাজশাহীর সিটি হাটসহ পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বরের হাট বসে প্রতি শনিবার, বাঘার রুস্তমপুরে বুধবার এবং চন্ডিপুরে হাট বসে শুক্রবার। অপরদিকে নাটোর জেলার তেবাড়িতে হাট বসে প্রতি রবিবার ও গোপালপুরে সোমবার। এছাড়াও পাবনার অরণকোলায় হাট বসে প্রতি শুক্র ও মঙ্গলবার।

সরেজমিনে বাঘার রুস্তমপুর ও শুক্রবার চন্ডিপুর গরুহাট ঘুরে দেখা গেছে,বেচা-বিক্রি ভালোই জমে উঠেছে। সকাল থেকে গরু-ছাগল আসা শুরু হয় হাটে। টানা চলছে অসংখ্য গরু-ছাগলের আমদানি ও বেচা-বিক্রি। বিক্রেতারা বলছেন, এ বছর  পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে গরু আমদানি হয়নি। এবার স্থানীয় চাহিদা পূরণ করছে বাঘা উপজেলার পদ্মার চরাঞ্চলে পালন করা দেশি গরু। তাদের মতে, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতা-বিক্রেতারা আসছেন উপজেলার এই দুই হাটে। এরপর নিজেদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন।