শ্রীমঙ্গলে বিদ্যালয়ের পাশে ময়লার ভাগাড়!

আপডেট : ০২ আগস্ট ২০১৯, ২১:২৫

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ইলিয়াছ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে ময়লার ভাগাড়। এখানে ময়লা ফেলার কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা না থাকায় যে কেউ প্রকাশ্যে ময়লা- আবর্জনা ফেলে। এছাড়া বিদ্যালয়টির শৌচাগারের পাইপ ফেটে গিয়ে ময়লা পানি পাশের রাস্তায় ছড়িয়ে পড়ছে। এতে দূষিত হচ্ছে স্থানীয় পরিবেশ।

জানা যায়, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার তত্ত্বাবধানে ১৯৮৭ সালে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড পূর্বাশা আবাসিক এলাকায় ইলিয়াছ প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থাপিত হয় এবং মৌলভীবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ ইলিয়াছের নামে বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হয়। বিদ্যালয়টিতে ১ম শ্রেণি হতে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় তিন শতাধিক ছাত্রছাত্রী অধ্যায়ন করে। বেশ কয়েক বছর ধরেই বিদ্যালয়ের ভেতর ও বাইরে নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে।

সরজমিনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের পেছন দিকে খালি জায়গায় ময়লার বড় স্তূপ গড়ে উঠেছে। এর পাশে বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছে একটি প্লাস্টিকের ডাস্টবিন। ময়লার স্তূপ থেকে বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষসহ আশপাশে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। ফলে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে আছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। দুর্গন্ধের কারণে রীতিমতো অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন এলাকাবাসী ও পথচারীরা। এছাড়া বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে অদ্যাবধি এই ভবনের রঙের কাজসহ কোনো ধরনের সংস্কার কাজ করা হয়নি বলেও অভিযোগ রয়েছে। রঙের অভাবে বিদ্যালয়ের নামটি পর্যন্ত মুছে গেছে।

এলাকার বাসিন্দা পুলক দত্ত, হিরু বর্মন, মোস্তফা হোসেন মিঠু বলেন, পৌরসভার অন্য এলাকায় এরকম ময়লার ভাগাড় দেখা যায় না। তাও আবার বিদ্যালয়ের গা ঘেঁষে!

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক দিপকরঞ্জন দাশগুপ্ত বলেন, এখানে বাইরে থেকে এসে কেউ ময়লা ফেলে যায় না। তবে বিদ্যালয়ের টয়লেটের পাইপ ফেটে পানি রাস্তায় আসায় এবং ময়লা ফেলতে নিষেধাজ্ঞা না থাকার কারণে পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না।

পৌরসভা ইলিয়াছ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মঈজ উদ্দিন চৌধুরী এসব অভিযোগ স্বীকার করে বলেন, আমি কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারবো না। তবে বিদ্যালয়ের নানাবিধ সমস্যার কথা উল্লেখ করে পৌর কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবো। কাজ করা না করা তাদের বিষয়।