বগুড়ার ধুনট উপজেলায় জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াতের সাত নেতাকর্মী আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার এলাঙ্গী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন- এলাঙ্গী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি শৈলমারী গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে আইয়ুব আলী (৫০), তছের আলীর ছেলে মাসুদ রানা (৪৯), তারাকান্দি গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে জিয়াউর রহমান (৪৫), আলাউদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান ঠান্ডু (৪৩), রাঙ্গামাটি গ্রামের জাবেদ আলীর ছেলে আবু বক্কার (৪৮), ছোহরাব হোসেনের ছেলে সামিউল ইসলাম (৩০) ও নলডাঙ্গা গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে রবিউল ইসলাম (৪৩)।
আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সামিউল ইসলামকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপরজনকে আহতদের ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
জামায়াতে ইসলামীর বগুড়া-৫ আসনের এমপি প্রার্থী আলহাজ্ব দবিবর রহমান অভিযোগ করে বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনকে ব্যাহত করতেই পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালানো হয়েছে। এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা জনগণ মেনে নেবে না।
তিনি ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে এলাঙ্গী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইয়ুব আলী বলেন, নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে সামান্য কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। হামলা বা মারধরের অভিযোগ সঠিক নয়।
এদিকে মামলার আসামি ও এলাঙ্গী ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান পলাশ বলেন, বাজারে অনেক লোকজন ছিল। কথা-কাটাকাটি থেকে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। তবে আমি তখন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম না।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী প্রচারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। তদন্ত শেষে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
