জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানির পশুর হাট

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৯, ২১:৫৫

ইত্তেফাক ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন স্থানে কোরবানির পশুর হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। ইত্তেফাক প্রতিনিধি ও সংবাদদাতাদের পাঠানো খবর।

সুজানগরে জমে উঠেছে পশুর হাট

সুজানগর (পাবনা) :পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সুজানগরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ঈদের দিন যত ঘনিয়ে আসছে উপজেলার হাট-বাজারে তত কোরবানির পশু সরবরাহ বাড়ছে।

গত বৃহস্পতিবার মানিকহাট বাজারে গরু বিক্রি করতে যাওয়া গৃহস্থ আব্দুল বাতেন বলেন, চারটি গরু নিয়ে বাজারে গিয়েছিলাম। কিন্তু তেমন ক্রেতা মেলেনি। দুই/চার জন ক্রেতা দাম বলেও সেটা বেচা-বিক্রির মতো দাম নয়।

পীরগাছায় হাটে কোরবানির

গরু পর্যাপ্ত, ক্রেতা কম

পীরগাছা (রংপুর) :এ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী হাটগুলোর মধ্যে দেবী চৌধুরানীর হাট অন্যতম। সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার হাট বসে। এ হাটে প্রতি বছর প্রচুর পরিমাণে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। স্থানীয়রা এ হাট থেকেই কোরবানির পশু ক্রয় করেন। এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যবসায়ীরা গরু ও ছাগল ক্রয় করে নিয়ে যায়। কিন্তু এ বছর এখন পর্যন্ত তাদের দেখা মেলেনি। ফলে স্থানীয় বিক্রেতা ও ব্যাপারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

বৃহস্পতিবার দেবী চৌধুরানীর হাট ও শুক্রবার একাধিক হাট ঘুরে দেখা গেছে, ক্রেতাদের নজর কাড়তে নানা প্রয়াস চালাচ্ছেন ইজারাদাররা। চলছে হাটের আকর্ষণ বাড়াতে সাজগোজ। ক্রেতারা ঘোরাঘুরি করছেন। দাম যাচাই করছেন। হাটে প্রচুর গরু উঠলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ার আশঙ্কা করছেন বিক্রেতারা। তবে কম দামে গরু বিক্রি করতে রাজি নন তারাও। ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে গরু বেচাবিক্রিও তখন বাড়বে, হাট পুরোমাত্রায় জমে উঠবে, এমন মত দিলেন অনেকেই।

হাট কাঁপাতে আসছে খোকাবাবু

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) :আর কয়েকদিন পরেই কোরবানির ঈদ। আর ঈদকে টার্গেট করে সারাদেশের ন্যায় টাঙ্গাইলের নাগরপুরের খামারিরাও প্রস্তুত তাদের গরু নিয়ে। আর এবার কোরবানির হাট কাঁপাতে আসছে নাগরপুরের খোকাবাবু। খোকাবাবুর খাদ্যতালিকার মধ্যে রয়েছে, বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস, গাছের পাতা, খড়, ভূসি, ভুট্টা ভাঙা, সরিষার খৈল, নালি, চালের কুড়া, লবণ, পরিমাণমত পানি। নিয়মিত গোসল করানো, পরিষ্কার ঘরে রাখা, বাবুর ঘরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা, নিয়মিত হাঁটানো, রুটিন অনুযায়ী ভ্যাকসিন দেওয়া ও কৃমির ওষুধ খাওয়ানো। খোকাবাবুকে মোটাতাজা করার ব্যাপারে কোনো প্রকার ওষুধ ও ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়নি বলে জানান তিনি।