জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ ঐতিহাসিক অর্জন, কাটবে রফতানি বাধা: বাণিজ্য উপদেষ্টা

আপডেট : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৭:৪৫

জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) ভবিষ্যতে রফতানি খাতে সম্ভাব্য নানা বাধা দূর করবে এবং দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি এই চুক্তিকে বাংলাদেশের জন্য একটি ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ স্বাক্ষর উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন বাণিজ্য উপদেষ্টা।

তিনি জানান, এই চুক্তির মাধ্যমে জাপানের উৎপাদন ও সেবা খাতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

বাণিজ্য উপদেষ্টা আরও বলেন, চুক্তির আওতায় জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পেলেও এতে জাতীয় রাজস্বে কোনো বিরূপ প্রভাব পড়বে না।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি শুল্ক চুক্তি আজ রাতেই স্বাক্ষরিত হতে পারে এবং এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আগামীকাল জানানো হবে।

চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে যদি ধর্মঘট অব্যাহত থাকে, তাহলে রমজানকালে বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে। তবে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, নির্বাচিত সরকার বন্দর সচল রাখতে প্রয়োজনীয় কার্যকর উদ্যোগ নেবে।

এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ চুক্তিতে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং এর ফলে দেশে জাপানি বিনিয়োগ আরও বাড়বে। তিনি জানান, চুক্তিটি খুব শিগগিরই কার্যকর হবে।

বাণিজ্য সচিব আরও বলেন, ইপিএর আওতায় জাপান তাদের বাজারে ৭ হাজার ৭৯টি বাংলাদেশি পণ্যকে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে। বিপরীতে, জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বিনাশুল্কে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।

 
ইত্তেফাক/এমএএম