কক্সবাজার জেলার টেকনাফে পুলিশের সঙ্গে মাদক চোরাকারবারি ও ডাকাত দলের পৃথক ‘বন্দুকযুদ্ধের’ ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন ডাকাত ও এক মাদক চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে সাতটি দেশীয় তৈরি অস্ত্র, পাঁচটি কিরিচ ও ২৫ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
গতকাল শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার নুরুল্লার ঘোনা নামক পাহাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন টেকনাফের রোহিঙ্গা ডাকাত সর্দার আব্দুল হাকিমের সহযোগী মো. জুনায়েদ, মো. আইয়ুব ও মেহেদী এবং মাদারীপুরের কালকিনি এলাকার মৃত জহিরুল ইসলামের ছেলে মাদক চোরাকারবারি ইমরান মোল্লা।
টেকনাফ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশ এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে একদল ডাকাত, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযানে যায় পুলিশ। পুলিশের অবস্থান টের পেয়ে ডাকাতরা গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পালটা গুলি চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে এসব অস্ত্র ও গুলিসহ তিন ডাকাতের মৃতদেহ পাওয়া যায়। প্রদীপ কুমার আরো জানান, অপর ‘বন্দুকযুদ্ধ’টি হয় কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের পাশে বাহারছড়ার দরগাহছড়া এলাকায়। এতে মাদক চোরাকারবারি ইমরান মোল্লা নিহত হন।
