গানের অবস্থা খারাপ না। তবে আগের মতোও না। কারণ আগে সারাবছরই হাজার হাজার গানের কাজ হতো। কিন্তু এখন গানের সংখ্যা কমে গেছে। তাছাড়া আগে যেখানে এক অ্যালবামে ১০ কিংবা ১২টি গান থাকতো, এখন তা হচ্ছে না। একটি করে গান প্রকাশ হচ্ছে। গানের অডিও নিয়েই আগে বেশি ভেবেছেন শিল্পী ও শ্রোতারা। কিন্তু এখন মিউজিক ভিডিও নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। ডিজিটালি গান শুনছে সবাই। সব মিলিয়ে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রিতে। এই পরিবর্তনটা যেন তরুণ প্রজন্ম ভালোভাবে কাজে লাগায় সেটাই চাই। আমার মনে হয় এ প্রজন্মের ভেতর রাতারাতি তারকা হওয়ার প্রবণতা বেশি। এই প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসতে হবে। গান আসবে মন থেকে। শিখতে হবে প্রতিনিয়ত। আমি এখনো নিজেকে শিক্ষার্থী মনে করি। কারণ গান শেখার কোনো শেষ নেই। শেখার পাশাপাশি প্রচুর গান শুনতে হবে। সব ভাষার গান শোনা ও বোঝার চেষ্টা করতে হবে। এখন দেখছি কাভার গানের খুব প্রচলন। আমি এটাকে খারাপভাবে দেখি না। কাভার যে কেউ করতে পারে। কিন্তু আগে মৌলিক গানের ওপর জোর দিতে হবে। ভালো কথা-সুরের প্রতি মনোযোগী হতে হবে। তাহলে ভালো কিছু আশা করা যায়।
দেশের সংগীতাঙ্গন ও নতুন প্রজন্মের সংগীতশিল্পীদের প্রসঙ্গে
সংগীতশিল্পী রিজিয়া পারভীন
