বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবনে সক্রিয় বনদস্যুদের দমনে অচিরেই বিশেষ অভিযান শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, খুব শিগগিরই সমন্বিত বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে বনদস্যুদের গ্রেপ্তার ও দমন করা হবে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাটের ঐতিহাসিক খান জাহান আলী (রহ.) মাজার জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, সুন্দরবনে সক্রিয় দস্যু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দস্যুদের তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে এবং চিহ্নিতদের ওপর বিশেষ নজরদারি শুরু হয়েছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সুন্দরবনকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের দস্যুতা বরদাশত করা হবে না। এই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী বনে বিষ দিয়ে মাছ শিকার, বনজ সম্পদ লুটপাট, জেলে ও বনজীবীদের অপহরণ কিংবা চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।
শেখ ফরিদুল ইসলাম আরও বলেন, সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় বসবাসরত জেলে, মৌয়াল ও বাওয়ালীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নৌ-পুলিশ, কোস্টগার্ড ও বন বিভাগের টহল জোরদার করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সমন্বয় করে তথ্য সংগ্রহ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমও বাড়ানো হবে।
এছাড়া নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন সহিংসতার ঘটনায় বিএনপি বা চেয়ারম্যান তারেক রহমান কোনো দায়ভার নেবে না বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিএনপি গণমানুষের দল এবং তারেক রহমান শুধু বিএনপির নন, সারাদেশের গণমানুষের প্রধানমন্ত্রী। কোনো চাঁদাবাজি, হানাহানি বা অপকর্মের দায় বিএনপি বা তারেক রহমান নেবেন না। কেউ অপরাধে জড়িত থাকলে তার দায়ভার তাকেই বহন করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, পুলিশ সুপার মো. হাসান চৌধুরী, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মোজাফ্ফর রহমান আলম, বিএনপি নেতা শাহেদ আলী রবি এবং স্থানীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

তীরে ট্রলার ও নৌকা ভিড়িয়ে চরে উঠলেন হাজারো জেলে