নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ডিক্রিরচর গুদারাঘাট এলাকায় ধলেশ্বরী নদী থেকে রফিকুল ইসলাম হূদয় (২৮) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে। গতকাল রবিবার সকালে লাশটি উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায় পুলিশ। রফিকুল ইসলাম হূদয় নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের পাইকপাড়া এলাকার নয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা শাহনেওয়াজ সেন্টুর ছেলে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একই এলাকার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে পছন্দ করত হূদয়। তাকে বিয়ে করার ইচ্ছা বাড়িতে জানালে অসম্মতি জানায় পরিবার। এতে রাগ করে গত শনিবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সে। এরপর থেকে আর বাড়ি ফেরেনি হূদয়। এদিকে নিহতের চাচা মিন্টু বলেন, মেয়ের পরিবারের লোকজন গত শনিবার তাকে মারধর করেছে কিন্তু বিষয়টি সে আমাদের জানায়নি। এ ঘটনায় সে স্থানীয় কাউন্সিলর আব্দুল করিম বাবুর কাছে বিচারও দেয়। কিন্তু আজকে তার লাশ পাওয়া গেল। সুনির্দিষ্টভাবে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ না করলেও হূদয়কে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে সদর মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ জানা যাবে। আপাতত একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা কিংবা অন্য কোনো অভিযোগে এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
জুয়ার আস্তানায় র্যাবের অভিযান, ২৮ জুয়াড়ি ইয়াবাসহ আটক
শনিবার রাতে র্যাব-১১র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিমউদ্দিনের নেতৃত্বে নগরীর কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জুয়ার আস্তানায় অভিযান চালিয়ে ২৮ জন জুয়াড়িকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ৪৫০ পিস ইয়াবা এবং প্রায় ৪৫ হাজার টাকা জব্দ করে র্যাব। র্যাব-১১র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিমউদ্দিন বলেন, জুয়ার আস্তানাটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি এ জুয়ার আসরে পুলিশ অভিযান চালিয়েছিল। সে সময় প্রায় ৪০ জন জুয়াড়িকে গ্রেফতার করার পাশাপাশি ৩ লক্ষাধিক টাকা জব্দ করে পুলিশ। আদালতে চালান দেওয়ার পর জামিনে ছাড়া পেয়ে এসব জুয়াড়ি আবারও কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড এলাকায় জুয়ার আসর বসায়।
