ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা কোনোভাবেই কমছে না। দুই দেশ পরোক্ষ আলোচনায় বসলেও কোনো সমাধান হয়নি। আলোচনার মধ্যেই দুই দেশ সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে চাপে ফেলে পরমাণু চুক্তি করাতে চায়। কিন্তু তেহরান কোনো চাপের কাছে মাথানত করবে না বলে জানিয়েছে।
দেশটি রাশিয়া ও চীনের সঙ্গে অত্যাধুনিক ক্ষেপণাস্ত্র কেনার চুক্তি করেছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ঘিরে সামরিক সরঞ্জামের মজুত বাড়িয়েছে। ইসরায়েলেও যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে অত্যাধুনিক স্টিলথ যুদ্ধবিমানও রয়েছে।
উত্তেজনার মধ্যে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের বিমানঘাঁটিতে তাদের অত্যাধুনিক এফ-২২ র্যাপ্টর স্টিলথ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের ভূখণ্ড ও সেখানে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের সম্ভাব্য ইরানি প্রতিশোধমূলক হামলা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।
সাবেক জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তা ডেনিস রস বলেন, ইসরায়েলের ঘাঁটি থেকে যুদ্ধবিমান পরিচালনা করা—এটিই প্রথম ঘটনা।
বিশ্লেষকদের মতে, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের আকাশসীমা বা ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় ওয়াশিংটনের বিকল্প সীমিত হয়ে পড়ে। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক এলিয়ট অ্যাব্রামস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক কিছু দেশের অনাগ্রহের কারণেই এমন সিদ্ধান্ত এসেছে।

পশ্চিমাদের উদ্বেগ ইরান, মধ্যপ্রাচ্যের ইসরায়েল