সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে চতুর্থবারের মতো বিয়ে করতে যাচ্ছেন পাকিস্তানের সাবেক অলরাউন্ডার শোয়েব মালিক। বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকার পর অবশেষে মুখ খুলেছেন সাবেক এই পাক ক্রিকেটার। এক বিবৃতিতে এসব খবরকে ‘মিথ্যা ও মনগড়া’ বলে উড়িয়ে দিয়েছেন শোয়েব মালিক।
এ সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার স্ত্রী সানা জাভেদকে লক্ষ্য করে ট্রোলকারীদেরও কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন মালিক। তিনি বলেন, ‘আমার নীরবতাকে দুর্বলতা ভেবে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু যখন বিষয়টি পরিবারকে প্রভাবিত করে, তখন চুপ থাকা সম্ভব নয়।’
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে ভারতের টেনিস তারকা সানিয়া মির্জার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় শোয়েব মালিকের। তাদের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ১৯ জানুয়ারি করাচিতে নিকাহ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অভিনেত্রী সানা জাভেদের সঙ্গে নতুন জীবন শুরু করেন মালিক।
জের বিবৃতিতে মালিক বলেন, ‘২০২৩ সালের শুরুতেই আমার প্রথম বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়। পারস্পরিক সম্মতিতেই আমরা সন্তানের যৌথ অভিভাবকত্বের সিদ্ধান্ত নিই। এরপরই আমি দ্বিতীয়বার বিয়ে করি। পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে আমি সবসময় ব্যক্তিগত জীবন আড়ালেই রাখতে চেয়েছি। কিন্তু আমার নীরবতাকে ভুলভাবে নেয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন কথা বলা জরুরি হয়ে পড়েছে। আমার ছেলে এখন এতটাই বড় হয়েছে যে এসব মিথ্যা ও ভিত্তিহীন গল্প পড়তে পারে, যা সামান্য ভিউ আর আয়ের জন্য ছড়ানো হচ্ছে। এসব হাস্যকর অভিযোগ আমার প্রিয়জনদের কষ্ট দিচ্ছে।’
বিবৃতির শেষ দিকে মালিক বলেন, ‘দায়িত্বশীল আচরণ করুন। কয়েকটি লাইক আর ভিউয়ের চেয়ে জীবনে আরও অনেক কিছু গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের মতোই আমারও পরিবার আছে। আশা করি আমার বার্তাটি ইতিবাচকভাবে নেওয়া হবে এবং আমার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযথা মন্তব্য বন্ধ হবে। অন্যথায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
সানিয়া মির্জা ছিলেন শোয়েব মালিকের দ্বিতীয় স্ত্রী। যদিও বিবৃতিতে ভারতের টেনিস তারকাকে প্রথম স্ত্রী দাবি করেছেন মালিক। ২০০২ সালে আয়েশা সিদ্দিকীর সঙ্গে প্রথমবার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন পাকিস্তানের সাবেক এই ক্রিকেটার। ২০১০ সালে আয়েশার সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় মালিকের। সেই বছরের মার্চে সানিয়াকে বিয়ে করেন শোয়েব।

