ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া অংশে ঢাকামুখী লেনে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন পরিবহন চালক ও যাত্রীরা।
রোববার (২ মার্চ) মধ্যরাত থেকে মহাসড়কের গজারিয়া অংশের প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। সোমবার (৩ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত যানজট অব্যাহত ছিল। কর্মজীবী মানুষ, রোগী, শিক্ষার্থী ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
ঢাকাগামী অ্যাম্বুলেন্সচালক রহিম মিয়া জানান, কুমিল্লা সদর হাসপাতাল থেকে রোগী নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। ভবেরচর এলাকায় এসে দীর্ঘ যানজটে আটকে পড়েন। তিনি বলেন, জরুরি রোগী নিয়ে এভাবে আটকে থাকা খুবই কষ্টকর।
ঢাকাগামী একটি কাভার্ড ভ্যানের চালক মো. আলমগীর বলেন, ভবেরচরের কাছে এসে দীর্ঘ লাইনে আটকে যান। প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। তিনি বলেন, সময়মতো পণ্য পৌঁছাতে না পারলে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।
গোমতী পরিবহনের বাসচালক রমজান মিয়া জানান, যাত্রী নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে ভাটেরচর নতুন রাস্তায় বসে আছেন। ভবেরচর এলাকা থেকেই যানজটে পড়েছেন।
ঢাকামুখী যাত্রী কাউছার আহমেদ বলেন, আজ আমার একটি চাকরির ইন্টারভিউ রয়েছে। সকাল ৯টার মধ্যে পৌঁছানোর কথা ছিল। কিন্তু দুই ঘণ্টা ধরে জামালদী এলাকায় আটকে আছি।
এ বিষয়ে ভবেরচর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি শাহ কামাল আকন্দ জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকাগামী লেনে সোনারগাঁওয়ের নাঙ্গলবন্দর এলাকায় রাস্তার মেরামতকাজ চলমান থাকায় রোববার রাত দেড়টা থেকে যানজটের সৃষ্টি হয়, যা ভবেরচর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। যানজট নিরসনে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
