যশোরে আবাসিক হোটেল থেকে ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আপডেট : ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০:৪৭

যশোরের একটি আবাসিক হোটেল থেকে হারুন অর রশিদ (৫৪) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরের দিকে শহরের দড়াটানা জামে মসজিদ লেনের ‘প্রিন্স আবাসিক হোটেলের’ ৩০৩ নম্বর রুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

মৃত হারুন অর রশিদ মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার মালোপাড়া এলাকার বাবুর্চি বাড়ির সামাদ বাবুর্চির ছেলে। তিনি প্লাস্টিক ও কাঁচের মালামালের ব্যবসা করতেন। ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ‘শামীম প্লাস্টিক হাউজ’ নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

হোটেলের ওয়ার্ডবয় আব্দুল আওয়াল জানান, গত মঙ্গলবার হারুন অর রশিদ প্রিন্স আবাসিক হোটেলের ৩০৩ নম্বর রুম ভাড়া নেন। বুধবার সন্ধ্যায়ও তাকে সেখানে দেখা যায়। বৃহস্পতিবার নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও তিনি চেকআউট না করায় দরজায় ধাক্কা দেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ সাড়া না পেয়ে বিষয়টি পাশের পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হয়।

পুরাতন কসবা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, ‘খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রথমে দরজা খোলার চেষ্টা করেন। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে বিছানার ওপর হারুন অর রশিদকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। অনেক ডাকাডাকির পরও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাকে মৃত বলে নিশ্চিত হওয়া যায়।’ 

তিনি আরও জানান, এ সময় তার পাশে থাকা মোবাইল ফোনটি ফ্লাইট মোডে ছিল। ফলে স্বজনরা তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিলেন না। ফ্লাইট মোড বন্ধ করার পরপরই একটি কল আসে। ফোনটি রিসিভ করলে ফোনের অপর প্রান্ত থেকে আসাদুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি নিজেকে নিহতের জামাতা বলে পরিচয় দেন। শ্বশুরের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে তারা মুন্সীগঞ্জ থেকে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।

যশোর কোতোয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল বলেন, ‘ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহে প্রাথমিকভাবে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।’

ইত্তেফাক/এএস/এপি