যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক
যশোর অফিস
আসন্ন ঈদে যশোর-বেনাপোল মহাসড়ক হয়ে ঘরমুখো মানুষের এবারও ভোগান্তিতে পড়তে হবে। ভাঙাচোরা, খোঁড়াখুঁড়ির রাস্তা দিয়েই বড়ো কষ্টে ভারতে যাতায়াত করতে হবে যাত্রীদের। তাদের দাবি দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার। সড়ক ও জনপথ বিভাগ বলছে, সড়কের উন্নয়নের অর্ধেক কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করতে তত্পর আছেন।
৩৮ কিলোমিটারের এ মহাসড়কটি পুনঃনির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩২৮ কোটি ৯২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা। দুটি প্যাকেজের মাধ্যমে দুই লেনের এ মহাসড়কের প্রস্থ হবে সর্বোচ্চ ৩৪ ফুট। গাছ থাকার কারণে কোথাও কোথাও তা কমবে। সাড়ে চার থেকে পাঁচ ফুট গর্ত করে তা প্রথমে বালি এবং পরে বালি ও খোয়া, পাথর-বালি ও তারপর বিটুমিনাস সারফেস হবে। বিটুমিনাস সারফেসের পুরুত্ব হবে প্রায় পাঁচ ইঞ্চি। তাই আসছে ঈদের আগে ভাঙচোরা, খোঁড়া রাস্তা দিয়েই চলতে হবে যাত্রীদের। রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কারণে সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের। ফলে বেড়েছে জনভোগান্তি। তাই দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি সংশ্লিষ্টদের।
ঈদের সময় যশোর অঞ্চলের মানুষের ভারতে যাতায়াত বেড়ে যায়। বিশেষ করে চিকিত্সা ও ঈদের ছুটিতে ঘুরতে যাওয়া-আসা মানুষের ভোগান্তি বেশি হয়ে থাকে।
এপথে চলাচলকারী হাবিবুর রহমান বলেন, আমরা খুব কষ্টে আছি। দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোলে দিয়ে শত শত গাড়ি চলে এই সড়কে। অথচ সেই সড়কটি বেহাল পড়ে থাকে। রাস্তার কাজ করার কারণে পানি জমে থাকে। আবার রৌদ্র হলে ধুলার কারণে চলাচল করা যায় না। আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই।
ট্রাক ড্রাইভার আব্দুস সালাম বলেন, আমরা যখন ট্রাকে মালামাল লোড দিয়ে এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করি অনেক সময় গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। ফলে দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়।
যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগ নির্বাহী প্রকৌশলী এসএম মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ২০১৮ সালের নভেম্বর মাসে শুরু হওয়া মহাসড়ক পুনঃনির্মাণ কাজ ২০২০ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ৫০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হবে। তবে ঈদের সময় সড়ক চলাচলে উপযোগী থাকবে।
